ঢাকা, বাংলাদেশ ||
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

মৌসুম শেষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ছেন কাসেমিরো

এপি স্পোর্টস

  ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০৬
ক্যাসেমিরো। ছবি : সংগৃহীত

ওল্ড ট্রাফোর্ডে সময়ের ইতি টানছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ক্যাসেমিরো। সেলেসাওদের এই মিডফিল্ডার নিশ্চিত করেছেন, চলতি মৌসুম শেষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে তার পথচলা শেষ হচ্ছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার চুক্তির ঐচ্ছিক অতিরিক্ত এক বছরের ধারা কার্যকর না করায় ২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে ফ্রি ট্রান্সফারেই ক্লাব ছাড়বেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

নিজের বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে ক্যাসেমিরো জানিয়েছেন, ওল্ড ট্রাফোর্ডে তার সময়ের শেষ অধ্যায় শুরু হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, ইউনাইটেডের জার্সিতে বাকি সময়টা তিনি সর্বোচ্চ দিয়ে খেলতে চান এবং সম্মান ও গর্বের সঙ্গেই বিদায় নিতে চান।

২০২২ সালে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে প্রায় ৭ কোটি ইউরো ট্রান্সফার ফিতে ইউনাইটেডে যোগ দেন ক্যাসেমিরো। প্রিমিয়ার লিগে এসে দ্রুতই দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হন তিনি। প্রথম মৌসুমেই কারাবাও কাপ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন এবং পরে এফএ কাপ জয়ের অংশও হন। ইউনাইটেডের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৬ ম্যাচে ২১ গোল ও ১৩ অ্যাসিস্ট করেছেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার, যা তার বহুমাত্রিক অবদানকে স্পষ্ট করে।

ইউনাইটেড এক বিবৃতিতে ক্যাসেমিরোর বিদায় নিশ্চিত করে তার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। ক্লাব জানিয়েছে, মাঠে তার লড়াকু মানসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার সক্ষমতার কারণে তিনি দ্রুতই সমর্থকদের প্রিয় খেলোয়াড়ে পরিণত হন।

তবে ইউনাইটেড অধ্যায় সব সময় মসৃণ ছিল না ক্যাসেমিরোর জন্য। ২০২৩-২৪ মৌসুমে ফর্মের অবনতি হলে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। একাধিক ইংলিশ ফুটবল বিশ্লেষক ও সাবেক তারকার কড়া মন্তব্যও সহ্য করতে হয় তাকে। সেই সময় সৌদি আরব থেকে আগ্রহ থাকলেও ইউরোপীয় ফুটবলে থাকার সিদ্ধান্ত নেন ক্যাসেমিরো।

এরপর ২০২৪-২৫ মৌসুমে ঘুরে দাঁড়িয়ে আবারও দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ফেরেন তিনি। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২১ ম্যাচের মধ্যে ১৯টিতেই শুরুর একাদশে ছিলেন ক্যাসেমিরো। করেছেন চারটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট, যা তার ধারাবাহিক অবদানের প্রমাণ।

ইউনাইটেড ও ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য এখনও তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার। তবে মৌসুম শেষে ক্লাব অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের পথে হাঁটবেন ক্যাসেমিরো। ক্লাব ও খেলোয়াড় দুই পক্ষই চাইছে, ওল্ড ট্রাফোর্ডে তার বিদায়টা যেন হয় সম্মানজনক ও সাফল্যের রেশ রেখে।

মন্তব্য করুন

ম্যাচ-পরবর্তী পোস্টে ভিনিসিয়ুসের ক্ষোভ, প্রোটোকল নিয়ে সমালোচনা
লিসবনের দা লুজ স্টেডিয়ামে বেনফিকার বিপক্ষে ম্যাচে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ তোলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষের প্রায় এক ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল কার্যকর হলেও সেটি সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়নি। ভিনিসিয়ুস তার পোস্টে লেখেন, বর্ণবাদীরা মূলত কাপুরুষ এবং নিজেদের দুর্বলতা আড়াল করতেই মুখ ঢেকে অপমানজনক মন্তব্য করে। ম্যাচের সময় বেনফিকার খেলোয়াড় জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও সরাসরি নাম উল্লেখ করেননি। শুধু গ্যালারি বা প্রতিপক্ষ নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন ভিনিসিয়ুস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে, তারা সঠিকভাবে তা পালন করতে পারেননি। বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল কার্যকর হলেও সেটি ‘ভালোভাবে বাস্তবায়িত হয়নি এবং কোনো কাজে আসেনি’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গোল উদ্‌যাপনের জন্য হলুদ কার্ড দেখানো নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তার মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ গোলের পর স্বাভাবিক উদ্‌যাপনের জন্য সতর্কবার্তা পাওয়া তিনি এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না। তবে পুরো ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে চান না বলেও স্পষ্ট করেছেন ভিনিসিয়ুস। তিনি জানান, বড় একটি জয়ের পর শিরোনামে দলের পারফরম্যান্স থাকার কথা, কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদেই তাকে কথা বলতে হয়েছে। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি মাঠের বাইরের এই লড়াইও যে তার ক্যারিয়ারের অংশ হয়ে উঠেছে—বিবৃতিতে সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন দেখা গেছে।
ম্যাচ-পরবর্তী পোস্টে ভিনিসিয়ুসের ক্ষোভ, প্রোটোকল নিয়ে সমালোচনা
বর্ণবাদ বিতর্কে উল্টো ভিনিসিয়ুসকেই দায়ী করলেন মরিনহো
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদের ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ফুটবলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বর্ণবাদ বিতর্ক ঘিরে। ম্যাচে রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে বর্ণবাদী গালি দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর খেলা প্রায় ১০ মিনিট বন্ধ থাকে। তবে ম্যাচ শেষে বেনফিকার কোচ জোসে মরিনহো উল্টো ভিনিসিয়ুসকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য দায়ী করেছেন। দা লুজ স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। গোলের পর স্বভাবসিদ্ধ নাচের ভঙ্গিতে উদ্‌যাপন করতে গেলে গ্যালারি থেকে দুয়োধ্বনি শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর বেনফিকার আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি তার দিকে এগিয়ে এসে কিছু বলেন বলে অভিযোগ ওঠে, এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ভিনিসিয়ুস ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেফারি ফিফার বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকল কার্যকর করে খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ করেন। ম্যাচ শেষে মরিনহো বলেন, বেনফিকা কোনোভাবেই বর্ণবাদী ক্লাব নয় এবং এ ধরনের ঘটনা প্রায় সব স্টেডিয়ামেই ঘটে থাকে। তার দাবি, গোলের পর ভিনিসিয়ুসের আচরণই মূলত উত্তেজনা বাড়িয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সে অসাধারণ একটি গোল করেছে, কিন্তু উদ্‌যাপনের পর পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। এই ক্লাবের ইতিহাসে ইউসেবিওর মতো কিংবদন্তি ছিলেন—বেনফিকাকে বর্ণবাদী বলা যায় না।’ তবে মরিনহোর বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন রিয়াল মাদ্রিদের শিবির। রাইট-ব্যাক ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড ভিনিসিয়ুসের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে বলেন,  ‘এ ধরনের পরিস্থিতি সে আগেও সামলেছে। প্রতিকূল পরিবেশেও সে খেলায় মনোযোগ ধরে রেখেছে, যা তার শক্ত মানসিকতার প্রমাণ।’ কোচ আলভারো আরবেলোয়ার ভাষ্য, ‘এই ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই হবে, সম্মান না থাকলে খেলাটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ বিতর্কের জেরে ম্যাচের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সম্ভাব্য বর্ণবাদ ইস্যুতে তদন্ত চলমান থাকায় বিষয়টি এখানেই থেমে থাকছে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফুটবলীয় পারফরম্যান্সের চেয়ে বিতর্কই যে ম্যাচটির প্রধান আলোচ্য হয়ে উঠেছে, তা স্পষ্ট।
বর্ণবাদ বিতর্কে উল্টো ভিনিসিয়ুসকেই দায়ী করলেন মরিনহো
ভিনিসিয়ুসকে ‘বানর’ বলে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ
চ্যাম্পিয়নস লিগে জমে ওঠা বেনফিকা-রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ হঠাৎই থমকে যায় বর্ণবাদ বিতর্কে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে রিয়াল ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রেফারির কাছে অভিযোগ করেন, তাকে ‘বানর’ বলে বর্ণবাদী গালি দেওয়া হয়েছে। এরপরই ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে উয়েফার অ্যান্টি-রেসিজম প্রোটোকল কার্যকর করে সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ করেন। লিসবনের দা লুজ স্টেডিয়ামে মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গোল করার পর নিজের স্বভাবসিদ্ধ নাচের ভঙ্গিতে উদ্‌যাপন করছিলেন ভিনিসিয়ুস। সেই সময় গ্যালারি থেকে দুয়োধ্বনি ও অপমানজনক মন্তব্য আসে বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বেনফিকার আর্জেন্টাইন তরুণ ফুটবলার জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি তার দিকে এগিয়ে যান। ভিনিসিয়ুস পরে রেফারিকে জানান, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের দিক থেকেও বর্ণবাদী শব্দ উচ্চারিত হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। অভিযোগের পরপরই রেফারি দুই হাত ক্রস চিহ্নে তুলে ম্যাচ থামিয়ে দেন—যা উয়েফার নির্ধারিত বর্ণবাদবিরোধী প্রোটোকলের অংশ। এতে মাঠে ও গ্যালারিতে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়। রিয়াল মাদ্রিদের কয়েকজন খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুসকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, অন্যদিকে উভয় দলের ফুটবলারদের মধ্যে বাগবিতণ্ডাও দেখা যায়। প্রায় দশ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর ম্যাচ পুনরায় শুরু হয়। টেলিভিশন রিপ্লেতে বিতর্কিত মুহূর্তের কিছু দৃশ্য ধরা পড়লেও স্পষ্ট অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রমাণ না থাকায় তাৎক্ষণিক কোনো শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে বিরতির পরও স্টেডিয়ামের পরিবেশ ছিল টানটান, আর ম্যাচের ফুটবলীয় উত্তেজনাকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে বর্ণবাদ ইস্যুই। সূত্র : মার্কা.কম
ভিনিসিয়ুসকে ‘বানর’ বলে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ / দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও পিএসজির দুর্দান্ত কামব্যাক
প্রথমার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দারুণ প্রত্যাবর্তন দেখাল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। মোনাকোর ঘরের মাঠ স্টাদ লুই–দ্বিতীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ৩–২ গোলে হারিয়ে ফিরতি লেগের আগে সুবিধাজনক অবস্থানে উঠে গেছে ফরাসি জায়ান্টরা। পুরো দ্বিতীয়ার্ধে এক জন কম নিয়ে খেলতে বাধ্য হওয়া মোনাকোর বিপক্ষে বদলি নেমে দুই গোল করে ম্যাচের নায়ক হন তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে। ম্যাচের শুরুটাই ছিল পিএসজির জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম মিনিটেই নুনো মেন্ডেসের দুটি ভুলে এগিয়ে যায় মোনাকো। ক্লিয়ারেন্সে বল হারানো এবং পরে ক্রস ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফোলারিন বালোগুন সহজেই গোল করেন। এরপরও বলের দখল বাড়িয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে পিএসজি। খভিচা কাভারাতস্কেলিয়ার শট রুখে দেন মোনাকো গোলরক্ষক, জোয়াও নেভেসের দূরপাল্লার প্রচেষ্টা অল্পের জন্য বাইরে যায়। চাপের মুখেও পাল্টা আক্রমণে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় মোনাকো। মাঝমাঠের একটি থ্রো–ইন থেকে বল কাড়তে ব্যর্থ হলে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে আবারও বালোগুন গোল করে ব্যবধান ২–০ করেন। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে চলে যায়। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় উসমান দেম্বেলের চোটজনিত বদলির পর। তার জায়গায় নামা দেজিরে দুয়ে প্রথম স্পর্শেই গোল করে ব্যবধান কমান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার নেওয়া শক্ত শট প্রতিহত হলেও ফিরতি বলে গোল করেন আশরাফ হাকিমি, সমতায় ফেরে পিএসজি। বিরতির পরই মোনাকোর জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে। ভিতিনিয়ার ওপর বিপজ্জনক ট্যাকলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আলেকজান্দার গোলভিন, যা ভিএআরে নিশ্চিত হয়। দশ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর রক্ষণে সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে মোনাকো। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় পিএসজি। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে দারুণ এক দলীয় আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন দুয়ে। শেষ দিকে মোনাকো কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ দৃঢ়তা দেখান। অপর প্রান্তে বারকোলা ও কাং-ইন লিও সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৩–২ গোলের এই জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় পিএসজিকে। প্রথম লেগে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিক দৃঢ়তা এবং বদলি খেলোয়াড়ের কার্যকর অবদান দলটিকে ফিরতি লেগের আগে স্পষ্ট সুবিধা এনে দিয়েছে।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও পিএসজির দুর্দান্ত কামব্যাক
ভিনির দুর্দান্ত গোলে লিসবনে রিয়ালের জয়
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্লে অফে লিসবনের দা লুজ স্টেডিয়ামে কৌশলী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্সে বেনফিকাকে ১–০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে গোলের পর উদ্‌যাপন ঘিরে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ ওঠায় কিছু সময়ের জন্য খেলা বন্ধ থাকে। এদিকে বেনফিকার কোচ জোসে মরিনহো ম্যাচ চলাকালেই লাল কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধে দুই দলই সতর্ক কৌশলে খেলায় মনোযোগী ছিল। শুরুতে বেনফিকা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগোলেও দ্রুতই বল দখলে নিয়ন্ত্রণ নেয় রিয়াল। মাঝমাঠে অরেলিয়েন তচুয়ামেনি ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার দৃঢ় উপস্থিতি ম্যাচের ছন্দ বদলে দেয়। ডান প্রান্তে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড ও ফেদেরিকো ভালভার্দের সমন্বয় আক্রমণে গতি আনে, আর রক্ষণে আন্তোনিও রুডিগারের প্রত্যাবর্তন মাদ্রিদের ডিফেন্সকে স্থিতিশীল করে। বেনফিকা দূরপাল্লার শটে কয়েকবার হুমকি তৈরি করলেও রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়ার দারুণ সেভ দলকে এগিয়ে রাখে। অপর প্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পাননি। বিরতির ঠিক আগে রিয়াল আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও গোলশূন্য অবস্থায়ই শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া নিখুঁত শটে তিনি জালে বল জড়ান। গোলের পর তার উচ্ছ্বাস ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত—বেনফিকার তরুণ ফুটবলার প্রেস্তিয়ান্নি বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি আমলে নিয়ে রেফারি সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ করে অ্যান্টি-রেসিজম প্রোটোকল কার্যকর করেন। প্রায় আট মিনিট বিরতির পর ম্যাচ পুনরায় শুরু হলেও প্রমাণের অভাবে তাৎক্ষণিক কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গোল ও বিতর্কের পর ম্যাচের উত্তাপ বাড়ে। গ্যালারি থেকে ভিনিসিয়ুসকে লক্ষ্য করে দুয়োধ্বনিও শোনা যায়, তবে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মাঠে নিজের প্রভাব বজায় রাখেন এবং আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেন। শেষ দিকে বেনফিকা মরিয়া হয়ে সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালালেও রিয়ালের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। কোচ মরিনহোর লাল কার্ড পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে স্বাগতিকদের জন্য। সব মিলিয়ে ঝলমলে না হলেও কৌশলগতভাবে নিখুঁত এক জয়ে সেকেন্ড লেগের আগে নকআউট পর্বে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পেল রিয়াল মাদ্রিদ।
ভিনির দুর্দান্ত গোলে লিসবনে রিয়ালের জয়
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হককে বিসিবির অভিনন্দন
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমিনুল হককে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ নতুন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খেলাধুলার মাঠ থেকে উঠে আসা একজন সংগঠক ও সাবেক ক্রীড়াবিদের এ ধরনের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হওয়া দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। বিশেষ করে তরুণ ক্রীড়াবিদ ও সমর্থকদের জন্য এটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বিসিবি মনে করে, শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অর্জিত অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও ক্রীড়া প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, আমিনুল হকের নিয়োগ দেশের ক্রীড়া খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে ক্রীড়াবিদদের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি দিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে ক্রীড়ার উন্নয়নে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিসিবি নতুন প্রতিমন্ত্রী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশের সব স্তরের খেলাধুলার অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হককে বিসিবির অভিনন্দন
রোজা ভাঙতে ইংলিশ ফুটবলে থাকবে ইফতারের বিরতি
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে আগের ধারাবাহিকতাই বজায় রাখছে ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগ ও ইংলিশ ফুটবল লিগ (ইএফএল)। মুসলিম ফুটবলার ও কর্মকর্তারা যেন সূর্যাস্তের সময় ইফতার করতে পারেন, সে জন্য ম্যাচ চলাকালে অল্প সময়ের বিশেষ বিরতির সুযোগ রাখা হবে। রমজানজুড়ে যুক্তরাজ্যে সূর্যাস্ত সাধারণত বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে হয়ে থাকে। এ কারণে শনিবার সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট ও রোববার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের ম্যাচগুলোতে খেলা থামানোর প্রয়োজন পড়তে পারে। ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের অধিনায়ক ও রেফারিরা আলোচনা করে ঠিক করবেন বিরতি প্রয়োজন হবে কি না এবং হলে কখন দেওয়া হবে। তবে এই বিরতিকে কৌশলগত টাইম-আউট বা দলীয় পানি বিরতি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। খেলা চলমান অবস্থায় থামানো হবে না; বরং গোলকিক, থ্রো–ইন বা ফ্রি–কিকের মতো স্বাভাবিক বিরতির সুযোগেই রোজা ভাঙার জন্য কয়েক মুহূর্ত সময় দেওয়া হবে। প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যবস্থা চালু হয় ২০২১ সালে। সে বছর লেস্টার সিটি ও ক্রিস্টাল প্যালেসের এক ম্যাচে গোলকিকের সময় খেলা থামিয়ে খেলোয়াড়দের ইফতারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। এরপর থেকে রমজান এলেই এই প্রথা অনুসরণ করা হচ্ছে। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি রোজা। এই মাসে ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে মুসলমানরা ধর্মীয় অনুশাসন পালন করেন। বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে মোহাম্মদ সালাহ, উইলিয়াম সালিবা, রায়ান আইত–নুরি, আমাদ দিয়ালোসহ বেশ কয়েকজন মুসলিম ফুটবলার খেলছেন। এর আগে বিভিন্ন ফুটবলারও ইংলিশ ফুটবলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, ধর্মীয় অনুশীলনের প্রতি এই সম্মান খেলোয়াড়দের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে এবং পেশাদার ফুটবলে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ায়।
রোজা ভাঙতে ইংলিশ ফুটবলে থাকবে ইফতারের বিরতি
জিরোনার কাছে হেরে শীর্ষস্থান হারাল বার্সেলোনা
লা লিগার কাতালান ডার্বিতে নাটকীয় হারের মুখ দেখেছে বার্সেলোনা। মন্টিলিভি স্টেডিয়ামে জিরোনার কাছে ২–১ গোলে পরাজিত হয়ে শীর্ষস্থানও হাতছাড়া করেছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে থেকেও শেষ দিকে দুই গোল হজম করে হেরে যায় কাতালান জায়ান্টরা।   প্রথমার্ধজুড়ে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা মেলেনি। বার্সেলোনার জন্য বড় সুযোগ আসে যোগ করা সময়ে, যখন দানি ওলমোর ওপর ফাউলের পর পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু লামিনে ইয়ামালের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় লিড নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়।   দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ছিল সমান তালে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ। অবশেষে ৫৯ মিনিটে জুল কুন্দের ক্রস থেকে হেডে গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন তরুণ ডিফেন্ডার পাও কুবারসি। মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই ফেলেছে সফরকারীরা।   তবে মাত্র দুই মিনিট পরই সমতায় ফেরে জিরোনা। ভানাতের পাস থেকে গোল করে লেমার ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন স্বাগতিকদের। গোলের পর জিরোনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং বার্সেলোনা কিছুটা ছন্দ হারায়।   ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৮৬ মিনিটে ফ্রান বেলত্রানের গোলে জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে মন্টিলিভি। গোলটি নিয়ে বার্সেলোনা খেলোয়াড়রা কুন্দের ওপর আগের ফাউলের অভিযোগ তুললেও ভিএআর পর্যালোচনা না হওয়ায় সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।   এদিকে কয়েকদিন আগেই কোপা দেল রেতে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদদের কাছে চার গোল খাওয়ার পর এবার জিরোনার কাছে হারে লা লিগার শীর্ষস্থান হারিয়েছে বার্সেলোনা। এই পরাজয়ের ফলে দুই পয়েন্ট ব্যবধানে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ, আর জিরোনা গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়ে অবনমন অঞ্চলের চাপ কিছুটা লাঘব করেছে।
জিরোনার কাছে হেরে শীর্ষস্থান হারাল বার্সেলোনা
‘রিয়াল ছাড়িনি, নিজেই বিদায় নিয়েছি’—মরিনহো
চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফ পর্বে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের রিয়াল অধ্যায় নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন হোসে মরিনহো। পর্তুগিজ এই কোচ বলেন, তাকে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে তাড়ানো হয়নি, বরং তিনি নিজ সিদ্ধান্তেই ক্লাব ছেড়েছিলেন। মরিনহো বলেন, আমি রিয়াল মাদ্রিদে আমার সময়ের কিছুই বদলাতে চাই না। আমি যা করেছি, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েই করেছি। ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, কিন্তু চেষ্টা কম ছিল না।  তিনি আরও যোগ করেন, রিয়াল সমর্থকদের সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনো সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার জায়গাতেই রয়েছে। রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগের প্রসঙ্গেও কথা বলেন মরিনহো। তিনি জানান, দুজনের মধ্যে এখনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে এবং সুযোগ পেলে আবারও কথা বলতে চান। আসন্ন ম্যাচ নিয়ে মরিনহো বলেন, রিয়াল মাদ্রিদ এখনো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অন্যতম বড় দাবিদার। তবে ফুটবলে অসম্ভব কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘রিয়ালকে হারাতে অলৌকিক কিছু দরকার নেই, দরকার আমাদের নিখুঁত পারফরম্যান্স,’ বলেন এই কোচ। ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্যের পাশাপাশি মরিনহো স্বীকার করেন, রিয়ালের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানসিক শক্তি সবসময়ই তাদের এগিয়ে রাখে। তবুও নিজের দলকে উপভোগের সঙ্গে খেলতে বলছেন তিনি, কারণ এমন বড় ম্যাচ খেলাই ফুটবলারদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা। রিয়াল মাদ্রিদ অধ্যায় নিয়ে শেষ কথা বলতে গিয়ে মরিনহোর সোজাসাপ্টা বক্তব্য, ‘আমি ক্লাব ছাড়ার সময় পরিষ্কার বিবেক নিয়েই বের হয়েছি। আমাকে কেউ বের করে দেয়নি—সিদ্ধান্তটা ছিল পুরোপুরি আমার।’
‘রিয়াল ছাড়িনি, নিজেই বিদায় নিয়েছি’—মরিনহো