মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সম্ভাব্য সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে চলেছেন। তিনি বলেছেন, যদি তেহরান পারমাণবিক (ইউরোনিয়াম) সমৃদ্ধকরণ থেকে শুরু করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে তার দাবি মেনে না নেয়, তাহলে দেশটিতে হামলা চালানো হবে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।
এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-তে দেওয়া মন্তব্যে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হলে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাবো, নতুবা আমাদের খুব কঠিন কিছু করতে হবে।’
ইরানের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান আলী লারিজানি গত সপ্তাহে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনার ফলাফল নিয়ে কথা বলার জন্য ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল সাইদের সঙ্গে দেখা করার সময় এই মন্তব্য করলেন ট্রাম্প।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধির কথা বলেছেন। এ ছাড়া কাছাকাছি জলসীমায় একটি ‘বিশাল নৌবাহিনী’ পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নামে একটি বিমানবাহী রণতরী।
চ্যানেল ১২ এবং সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস মঙ্গলবার জানিয়েছে, ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর কথাও ভাবছেন। অন্যদিকে মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
এই সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ইরানের বিরুদ্ধে আসন্ন মার্কিন হামলার আশঙ্কা তৈরি করেছে। সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের আক্রমণ অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করতে পারে।
মন্তব্য করুন








