ঢাকা, বাংলাদেশ ||
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||
মারা গেছেন মার্কিন নাগরিক অধিকারের নেতা জেসি জ্যাকসন
মাদুরো অপহরণে অ্যানথ্রপিকের এআই / ক্লাউডের বিকল্প হিসেবে এক্সএআই পাবে পেন্টাগন?
ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডে পাকিস্তানের ভূমিকা কী থাকবে
ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডে পাকিস্তানের ভূমিকা কী থাকবে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে নবগঠিত শান্তি বোর্ড যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা অঞ্চল পুনর্নির্মাণের জন্য পাঁচ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তিনি আরও জানান, তার শান্তি বোর্ডের প্রথম সভা বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া এ অঞ্চলের জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশে হাজার হাজার কর্মী মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।  এ বিষয়ে জিও নিউজ ও ডনকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন বোর্ড অব পিস (শান্তি বোর্ড) সভায় যোগ দেবেন। তার সঙ্গে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারও সেখানে উপস্থিত থাকবেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্য এবং তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য পরে জানানো হবে।  গাজা ইস্যুতে গঠিত ট্রাম্পের শান্তি বোর্ড মূলত প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং গত মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বোর্ডের সনদ অনুসারে মার্কিন সরকার এটির সব কর্মকাণ্ড দেখভাল করবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইনস্টিটিউট অব পিসকে বোর্ডের সদর দপ্তর হিসেবে মনোনীত করেছেন। গাজা ইস্যুতে গঠিত এ শান্তি বোর্ডে পাকিস্তানও অংশ নিয়েছে। কারণ দেশটির অসংখ্য সেনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আছে। পাকিস্তান এখন এ আন্তর্জাতিক সংস্থার অন্যতম বৃহত্তম সেনা প্রেরণকারী দেশ। গত ছয় দশক ধরে তারা ২৩ দেশে ৪১টি মিশনে ১৫ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছে। এ কারণে পাকিস্তান জানে যে বহুজাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয়। কোন ধরনের পদক্ষেপে শান্তি বিনষ্ট হবে এবং কীভাবে সংঘাত মোকাবেলায় কাজ করতে হয়। এ ছাড়া পাকিস্তান বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে। তারা ওআইসি ও এসসিওসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বেশ সক্রিয়। এ ধরনের কূটনৈতিক সক্ষমতার কারণে দেশটি সংঘাত নিরসন ও শান্তি স্থাপনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে।  ইসলামাবাদ ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্তের ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরীফকে একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখতে চায়। দেশটি ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে টেকসই শান্তির একমাত্র কার্যকর কাঠামো হিসেবে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানকে সমর্থন করে। এ কারণে গাজা ইস্যুতে গঠিত ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। 
ট্রাম্পের সহায়তা ঘোষণার পর ১১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল 
লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরায়েলের বোমা হামলা, নিহত ৪
সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ময়নাতদন্ত দেখা চিকিৎসকের দাবি / আত্মহত্যা নয়, এপস্টেইনকে হত্যা করা হয়
আরও