ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি
দৌলতপুরে কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং উদ্বোধন
দৌলতপুরের পল্লীতে শিয়ালে খাবলে খাওয়া যুবকের মরদেহ উদ্ধার
দৌলতপুরের পল্লীতে শিয়ালে খাবলে খাওয়া যুবকের মরদেহ উদ্ধার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নির্জন মাঠের রাস্তায় ঘাসের নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় রাজা (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হছে। মরদেহটির শরীরের বিভিন্ন অংশ শিয়ালে খুবলে খাওয়ার চিন্থ ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। সে পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর স্কুলপাড়া এলাকার ইমান আলীর ছেলে।  গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাজা নিখোঁজ ছিল বলে তার বাবা ইমান আলী জানিয়েছেন। ঈুলি ও স্থানীয়রা জানায় বুধবার সকালে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর সাতবিল মাঠ এলাকার মাঠের মধ্যে থাকা মেঠো সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ঘাস দিয়ে ঢাকা ছিল। স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ মাঠে কাজ করতে যাচ্ছিলেন, নির্জন মাঠে পথের ধারে ঘাস ও খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় মরদেহ দেখে আশেপাশে ক্ষেতে কাজ করা অবস্থায় অন্য কৃষকদের ডেকে মরদেহটি দেখালে তারা বিষয়টি থানায় খবর দেয়। আশে পাগে কয়েকটি শিয়াল ঘুরতে দেখে ধারণা করা হচ্ছে নিহতের শরীরের একাংশ শিয়ালে খুবলে খেয়েছে।  খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। ্এবং ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে নিহত রাজা নিখোঁজ ছিল। এ বিষয়ে মঙ্গলবার তার বাবা থানায় একটি জিডি করেছে। নিখোঁর পর পরই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে নির্জন মাঠে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব দ্রæত হত্যাকারীদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে ওসি জানিয়েছেন।  
দৌলতপু্রে আওয়ামী লীগ নেতা রিমন গ্রেপ্তার
দৌলতপুরে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
ভারতের পানিতে পদ্মার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আতঙ্কে মানুষ
দৌলতপুরে পিস্তল ও বিস্ফোরকসহ যুবককে ধরে পুলিশে দিল জনতা
বাসর রাতে বরের মৃত্যু

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বৃহস্পতিবার বিকেলে নববধূকে ঘরে তুলেছিলেন আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। শুক্রবার ছিল বৌভাতের আয়োজন। কিন্তু সেই আনন্দ আর স্থায়ী হলো না। গভীর রাতে স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন আনাস। এতে বিয়ের রাতেই বিধবা হলেন তাঁর নববধূ সাইরা খাতুন (১৮)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে আনাস ও সাইরা খাতুনের বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইরা খাতুনকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়। সাইরা উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। শুক্রবার দুপুরে নববধূকে ঘিরে বৌভাতের আয়োজনও করা হয়েছিল। এ জন্য বাড়িতে অতিথিদের খাবারের স্থান ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছিল গভীর রাত পর্যন্ত। আনাসও সেখানে উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আনাসের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আনন্দঘন বিয়ের বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া। কয়েক ঘণ্টা আগেও যে বাড়িতে ছিল বিয়ের আনন্দ ও অতিথিদের কোলাহল, রাত পেরোতেই সেখানে শুরু হয় হৃদয় বিদারক কান্না ও আহাজারি। স্বামীকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন নববধূ সাইরা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন হোসেন বলেন, স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আনাসের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তাঁর বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূকে বাড়িতে আনা হয়। শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই এমন দুর্ঘটনায় সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পুলিশ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আরও
X