প্রায় ২০ বছর পর নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামসহ চারটি জেলায় ছয়টি নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলীয় চেয়ারম্যানের চট্টগ্রাম সফরের সূচি প্রকাশ করেন বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
এদিকে তারেক রহমানের সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
নগর পুলিশ জানিয়েছে, সমাবেশ শুরু আগে মঞ্চ-মাঠ এবং আশপাশের এলাকা ডগ স্কোয়াড দিয়ে নিরীক্ষা করা হবে। চট্টগ্রাম নগরীর ১৬ থানার পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করবেন সিএমপি এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা। থাকবেন সোয়াত টিম, এপিবিএন, মেট্রোপুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা। পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সাদাপোশাকে দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ সদস্যরা। সমাবেশ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের ব্যস্ততম সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করবে ডিসি ট্রাফিক বিভাগ।
নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে সমাবেশ চলাকালীন কোনো ধরনের ‘ড্রোন’ ওড়ানো বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণসংযোগ) আমিনুর রশিদ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় কোনো ব্যক্তি অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইটপাথর বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কোনো বস্তু প্রদর্শন, প্ল্যাকার্ড বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সিএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জনসমাবেশ এলাকায় ‘ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০’-এর ধারা ৯ ও ১৩ অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া ড্রোন উড্ডয়ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন








