চেন্নাইয়ে হেসে খেলে জয় তুলে নিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ডি–এর ম্যাচে কানাডাকে আট উইকেটে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয়ে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে কিউইরা।
এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৫.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। দুই উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচকে একতরফা করে দেয়।
ইনিংসের শুরুটা ছিল স্থির। ওপেনিং জুটিতে টিম সাইফার্ট ও ফিন অ্যালেন ৩০ রান যোগ করেন। তবে পরপর দুই ওভারে দুজনই বিদায় নিলে খানিকটা চাপে পড়ে দলটি। সাইফার্ট ১০ বলে ৬ রান করে সাদ বিন জাফরের শিকার হন, আর অ্যালেন ৮ বলে ২১ রান করে আউট হন ডিলন হেইলিগারের বলে।
এরপর রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। দুজনের শতরানের জুটি নিউজিল্যান্ডকে দ্রুত জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। ফিলিপস ছিলেন বিধ্বংসী—৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন, মারেন চারটি চার ও ছয়টি ছক্কা। এটি তার টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি। অন্যদিকে রবীন্দ্র ৩৯ বলে ৫৯ রান করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কানাডা শক্ত ভিত গড়ে তোলে ওপেনার যুবরাজ সামরা ও অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার ব্যাটে। দুজন মিলে ধীরস্থির শুরু এনে দেন দলকে। পাওয়ারপ্লে ও মধ্য ওভারে ঝুঁকি না নিয়ে রান তুলতে থাকেন তারা।
১৪তম ওভারে ৩৯ বলে ৩৬ রান করা বাজওয়া আউট হলে ১১৬ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তবে সামরা থামেননি। ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ৬৫ বলে ১১০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ১১টি চার।
শেষ দিকে নাভনিত ধালিওয়ালের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন সামরা। ধালিওয়াল ৭ বলে ১০ রান করে আউট হলে কানাডার রান তোলার গতি কিছুটা কমে যায়। শেষ ওভারে জ্যাকব ডাফি সামরাকে ফিরিয়ে দিলে বড় সংগ্রহের আশা কিছুটা কমে আসে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ দাঁড় করালেও কিউই ব্যাটারদের সামনে তা যথেষ্ট হয়নি।
মন্তব্য করুন








