ইউরোপিয়ান সুপার লিগ প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর পেছনে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে অস্বস্তিকর সম্পর্কও বড় কারণ ছিল—এমন স্বীকারোক্তিই দিয়েছেন বার্সেলোনার সভাপতি জোয়ান লাপোর্তা। তিনি জানিয়েছেন, উয়েফার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং “ফুটবল পরিবারের” অংশ হিসেবে ফিরতেই শেষ পর্যন্ত সুপার লিগ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।
গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপিয়ান সুপার লিগ প্রকল্প থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় বার্সেলোনা। এর ফলে ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই বিতর্কিত উদ্যোগে এখন একমাত্র বড় ক্লাব হিসেবে থেকে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বার্সেলোনার অফিশিয়াল মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাপোর্তা বলেন, ‘উয়েফার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে আমরা আবার ফুটবল পরিবারের অংশ হয়েছি। সুপার লিগ এমন একটি প্রকল্প ছিল, যা বাস্তবায়নযোগ্য ছিল না। সেখানে কেবল ব্যয়ই ছিল, কোনো বাস্তব লাভ ছিল না।’
রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রিয়ালের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না এবং বিষয়টি সবসময় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছিল।’
লাপোর্তার ভাষ্য, বার্সেলোনা ইউরোপীয় ফুটবলে টেকসই কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে এবং খেলাটির শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে চায়।
২০২১ সালে ইউরোপের ১২টি শীর্ষ ক্লাব নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ইউরোপিয়ান সুপার লিগ। তবে ইংল্যান্ডের ক্লাবগুলো সমর্থকদের তীব্র বিরোধিতার মুখে দ্রুত সরে দাঁড়ায়। এরপর পর্যায়ক্রমে আতলেতিকো মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান, এসি মিলান ও জুভেন্টাসও প্রকল্প থেকে বেরিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা এই উদ্যোগের মুখ হিসেবে থেকে গেলেও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বার্সাও সরে দাঁড়ানোয় কার্যত একাই পড়ে রইল রিয়াল।
মন্তব্য করুন








