স্প্যানিশ লা লিগায় দলের গোল মেশিন কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বিশ্রামে রেখেও নিশ্চিত জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল সোসিয়েদাদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। ঘরের মাঠের ৪-১ ব্যবধানের জয়ে দুটি পেনাল্টি আদায় করে দুটিই গোলে পরিণত করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল মাদ্রিদ। মাত্র চার মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তরুণ ফরোয়ার্ড গঞ্জালো। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আর্নল্ডের নিখুঁত লম্বা পাস থেকে দৌড়ে গিয়ে পায়ের টোকায় বল জালে জড়ান তিনি। এমবাপ্পের অনুপস্থিতিতেও আক্রমণভাগ যে কার্যকর, সেই বার্তাই যেন শুরুতেই দিয়ে দেয় লস ব্লাঙ্কোসরা।
তবে লিড নেওয়ার পর কিছুটা ছন্দ হারায় মাদ্রিদ। ডিফেন্সের ভুলে রিয়াল সোসিয়েদাদ সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি পুরোপুরি। উল্টো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের ভেতরে তাকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে ব্যবধান বাড়ান ব্রাজিলিয়ান তারকা।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফেদেরিকো ভালভার্দের দূরপাল্লার শট রিয়ালের তৃতীয় গোল এনে দেয়। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বাঁকানো শটে বল জালের কোণে জড়ালে ম্যাচ কার্যত মাদ্রিদের নিয়ন্ত্রণেই চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি স্বাগতিকরা। আবারও ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ভিনিসিয়ুস, তাকে থামাতে গিয়ে দ্বিতীয়বার ফাউল করেন সোসিয়েদাদের ডিফেন্ডার। দ্বিতীয় পেনাল্টিটিও সফলভাবে জালে পাঠিয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই উইঙ্গার।
এরপর ম্যাচের গতি কিছুটা কমে এলেও সুযোগ তৈরি হতে থাকে দুই প্রান্তেই। তবে ফলাফলে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। শেষদিকে দানি কারভাহাল ও ডেভিড আলাবাকে নামিয়ে ডিফেন্স মজবুত করেন কোচ, যাতে কোনো অঘটন না ঘটে।
এই জয়ের ফলে টানা অষ্টম লিগ জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। একই সঙ্গে সমর্থকদের সঙ্গে সাম্প্রতিক দূরত্বও অনেকটাই কমিয়ে আনতে পেরেছে দলটি—যা মৌসুমের বাকি অংশের জন্য বড় ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন








