২০২৬ সালে নিজের প্রথম ম্যাচেই আবারও প্রমাণ করলেন লিওনেল মেসি কেন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নাম। ইন্টার মায়ামির হয়ে বছরের প্রথম ম্যাচ শেষে আলিয়াঞ্জা লিমার ফরোয়ার্ড অ্যালান কান্তেরোর হাতে উঠেছে মেসির ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সি। আর সেই জার্সি হাতে পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি পেরুভিয়ান এই স্ট্রাইকার—চোখের পানি আর উচ্ছ্বাসে ভাসেন তিনি।
ক্লাব প্রীতি ম্যাচে আলিয়াঞ্জা লিমার বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল ইন্টার মায়ামি। ম্যাচটি মায়ামির জন্য সুখকর হয়নি। পেরুর ক্লাবটির কাছে ৩-০ গোলে হেরে যায় মেসির দল। ম্যাচে আলিয়াঞ্জা লিমার হয়ে জোড়া গোল করেন ৪২ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড পাওলো গুয়েরো। বাকি গোলটি আসে লুইস রামোসের পা থেকে।
ম্যাচ শেষে মেসির সঙ্গে জার্সি বদল করেন অ্যালান কান্তেরো। পরে স্থানীয় গণমাধ্যম লাতিনা দেপোর্তেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কান্তেরো বলেন, ‘লিও আমার আইডল। ছোটবেলা থেকেই সে আমার অনুপ্রেরণা। আজ আমি যেখানে এসেছি, তার পেছনে মেসির বড় ভূমিকা আছে। তার জার্সি চাইতে পারাটা আমার জন্য সম্মানের। আমি খুব আবেগাপ্লুত। এই জার্সি আমি ঘরে ফ্রেম করে রাখব।’
কথা বলতে বলতে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। আরও যোগ করেন, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমি তাকে শুভেচ্ছা জানাই। বহুদিন ধরে এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। একই মাঠে তার সঙ্গে খেলতে পারা আমার জীবনের বড় স্বপ্ন পূরণ। তার বিনয় আর ছোটদের প্রতি আন্তরিকতা দেখলে বোঝা যায় কেন তিনি এত মহান।’
২০২৫ সালে ঐতিহাসিক এমএলএস কাপ জয়ের পর নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিতে রয়েছে ইন্টার মায়ামি। কোচ হাভিয়ের মাশচেরানোর দল এই মৌসুমে একাধিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। তবে বছরের প্রথম ম্যাচেই কিছুটা মরিচা ধরা ফুটবল খেলেছে তারা।
তবুও মাঠে ও গ্যালারিতে মেসির উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের কাছেও মেসির জার্সি যেন এক ধরনের ‘ট্রফি’। এর আগেও বহু ফুটবলার জানিয়েছেন, মেসির জার্সি পাওয়া তাদের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি।
মন্তব্য করুন








