রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে কারাগারে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেয়নি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ রায় দেওয়া হয়।
এর ফলে পাকিস্তানের সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী কারাগারে তার চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হতে পারবেন না। খবর জিও নিউজ
৯ মে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) হামলা মামলার শুনানি পরিচালনা করেন এটিসি বিচারক আমজাদ আলী শাহ। তখন আদালতে ইমরানের আইনজীবী ফয়সাল মালিক তার প্রতিনিধিত্ব করেন। বিশেষ প্রসিকিউটর জহির শাহ প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ইমরান খান ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এটিসিতে আবেদন করলে জহির তার বিরোধিতা করেন। বিশেষ প্রসিকিউটর আদালতকে বলেন, জিএইচকিউ হামলা মামলায় বর্তমানে জামিনে থাকা ইমরান একজন বিচারাধীন বন্দি। ফৌজদারি আদালতের জামিনে থাকা সন্দেহভাজন ব্যক্তির এ ধরনের কোনো অধিকার নেই। পাকিস্তান কারাবিধি অনুসারে, কোনো বন্দির জন্য ব্যক্তিগত ডাক্তার দেওয়া হয় না। এছাড়া বিদ্যমান আইনি কাঠামোর অধীনে কারাগারে ব্যক্তিগত চিকিৎসা সেবাও প্রদান করা হয় না।
উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগের আবেদন খারিজ করে দেয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (পিমস) ইমরানের চোখের চিকিৎসা করা হয়েছিল। যেখানকার ডাক্তাররা নিশ্চিত করেছেন- তার রক্তনালিতে চাপ আছে। এ বিষয়টি ইমরানের দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করেছে। পিটিআই অভিযোগ করেছে যে, সরকার বেশ কয়েক দিন ধরে তার চিকিৎসার বিবরণ গোপন রেখেছে।
মন্তব্য করুন








