ঢাকা, বাংলাদেশ ||
মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

নস্টালজিয়ার বড় চমক : একসঙ্গে প্রসেনজিৎ, চিরঞ্জিত ও রঞ্জিত

বিনোদন ডেস্ক

  ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৪
রঞ্জিত মল্লিক, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এমন কিছু অভিনেতা আছেন, যারা শুধু তারকা নন, একেকটি সময়ের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও রঞ্জিত মল্লিক তেমনই তিন নাম।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

একসময় যাদের উপস্থিতিতেই প্রেক্ষাগৃহ ভরে উঠত দর্শকে। এই তিন শক্তিশালী অভিনেতাকে শেষবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ১৯৮৪ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘শত্রু’-তে। অঞ্জন চৌধুরীর পরিচালনায় নির্মিত সেই ছবি মুক্তির পর বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং আজও তা দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।

এরপর কেটে গেছে প্রায় ৪১ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে তিনজনই আলাদা আলাদা পথে হেঁটে বাংলা সিনেমাকে দিয়েছেন বহু স্মরণীয় কাজ। কেউ হয়েছেন বাণিজ্যিক ছবির বড় ভরসা, কেউ আবার চরিত্রাভিনয়ে গড়েছেন আলাদা পরিচিতি। তবে দর্শকদের মনে বারবারই ফিরে এসেছে একটি প্রশ্ন- এই তিন কিংবদন্তিকে আবার কি একসঙ্গে দেখা যাবে?

অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্র্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এসভিএফ প্রযোজিত ও চন্দ্রাশিস রায় পরিচালিত ‘বিজয়নগরের হীরে’ সিনেমার ট্রেইলার মুক্তির অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে ইঙ্গিত দেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি। সেখানে তিনি জানান, খুব শিগগিরই চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও রঞ্জিত মল্লিককে নিয়ে একটি সিনেমা করতে চান এবং এটি তার বহুদিনের ইচ্ছা।

প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও বলেন, এই পরিকল্পনার কথা প্রসেনজিৎ দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন। তবে কোন সিনেমায় বা কবে এই তিনজন একসঙ্গে কাজ করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি তারা।

এদিকে প্রায় ২৫ বছর পর ‘বিজয়নগরের হীরে’ ছবিতে আবার একসঙ্গে কাজ করেছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। জনপ্রিয় ‘কাকাবাবু’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ কিস্তি হিসেবে নির্মিত এই সিনেমাটি আগামী ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন আরিয়ান ভৌমিক, রাজনন্দিনী পাল, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, অনুজয় চ্যাটার্জিসহ আরও অনেকে।

চার দশক পর প্রসেনজিৎ, চিরঞ্জিত ও রঞ্জিত মল্লিকের একসঙ্গে ফেরার সম্ভাবনা বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। এই তিন কিংবদন্তির পুনর্মিলন শুধু নস্টালজিয়া নয়, বরং বাংলা সিনেমার জন্য হতে পারে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এখন দর্শকের অপেক্ষা, কবে এবং কোন গল্পে আবার এক ফ্রেমে দেখা যাবে এই তিন তারকাকে।

মন্তব্য করুন

গুজব রটনাকারীদের জন্ম-মৃত্যু ডাস্টবিনে: আসিফ আকবর
দেশের সংগীতাঙ্গনে তুমুল জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর। ক্যাসেট-সিডির আমলে অডিওতে রাজত্ব করা এই শিল্পী এখনও বেশ দাপুটে। তার মতো করেই গান প্রকাশ করে চলছেন। এদিকে আসিফ আকবরের নামে ছড়ানো কিছু ভুয়া ফটোকার্ডে সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া। ‘জনমত নিউজ ২৪’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে আসিফের ছবি ব্যবহার করে বিতর্কিত কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যা ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছে তথ্য যাচাই সংস্থা রিউমর স্ক্যানার।   রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুয়া ফটোকার্ডগুলো নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে শেয়ার করেছেন আসিফ লিখেছেন, সোশ‍্যাল মিডিয়া ফেসবুকের নিউজ নিয়ে মাতামাতি চলে যাচাই-বাছাই ছাড়াই। ইন্ডাস্টিতে মজা করে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফেকবুক’। দীর্ঘদিন ধরে ফেক বা ভুয়া নিউজের শিকার হলেও কখনও এসব পাত্তা দেইনি। ইদানীং কিছু ভুঁইফোড় নিউজ চ‍্যানেল ফটোকার্ড বানিয়ে আমার ছবি দিয়ে মনগড়া বক্তব‍্য প্রচার করছে। মানুষও সত‍্য ভেবেই মন্তব‍্য করছে, সেগুলোও গুরুত্ব দেই না। তিনি যোগ করেন, নিয়মিত অসত‍্য চর্চায় এসব মিথ‍্যা খবর একসময় সত‍্য হয়ে যায়, যেটা সিভিল লাইফকে বিব্রত করে। পরিবার আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে এই গুজবগুলো মানুষকে জানানোর প্রয়োজন মনে করলাম। আসিফ জানান, তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘রিউমর স্ক্যানার বাংলাদেশ’-এর হেড রিসার্চার সায়েম হাসান স্বপ্রণোদিত হয়ে তাকে ফোন করে এই অপপ্রচারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গায়কের ভাষ্য, তথ‍্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক‍্যানার বাংলাদেশ এর হেড রিসার্চার সায়েম হাসান স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাকে ফোন করেন। তিনি জানান কিছু অসৎ মিডিয়া এসব গুজব ইচ্ছে করে ছড়াচ্ছে। তারা যাচাই-বাছাই করে আমাকে রিপোর্ট দিয়েছেন- এগুলো গুজব। আমি ধরে নিয়েছি কেউ উদ্দেশ‍্যমূলকভাবে এগুলো প্রচার করছে। এগুলো নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইনি। আবার মিথ‍্যা যেন সত‍্য না হয়ে যায় সে জন‍্য ইস‍্যুটা ফেসবুকে সবাইকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম। গুজব রটনাকারীদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নিচের ফটোকার্ডগুলো হচ্ছে সেই অসভ্যদের কাজ, যাদের জন্ম এবং মৃত্যু ডাস্টবিনে।  সবশেষ  নিঃস্বার্থভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি রিউমর স্ক্যানারকে ধন্যবাদ জানান।  
গুজব রটনাকারীদের জন্ম-মৃত্যু ডাস্টবিনে: আসিফ আকবর
ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ্যে ‘না যেও না’
প্রতি বছর ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ব্যস্ত হয়ে ওঠে সংগীতাঙ্গন। শিল্পীরা প্রকাশ করেন নতুন নতুন গান। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। দিনটি উপলক্ষে প্রকাশ পেয়েছে ‘না যেও না’ শিরোনামের একটি গান। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী মৌমিতা তাশরিন নদী ও নিজাম উদ্দিন।  কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটির কথা ও সুর নিজাম উদ্দিনের। ‘না যেও না’ শিরোনামের এ গানের সংগীত পরিচালনা করেছেন সুমন কল্যাণ। গানটি প্রসঙ্গে নিজাম উদ্দিন বলেন, গানটির কথা-সুরে আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এতে সংগীতের দারুণ সমন্বয় ঘটেছে। আমার সঙ্গে গেয়েছেন নদী। উনি সুকণ্ঠী। এখানেও দারুণ গেয়েছেন। আশা করি সবার ভালো লাগবে।  সুমন কল্যাণ বলেন, ভালোবাসা দিবসের উপযুক্ত গান এটি। নিজাম উদ্দিন ভাইয়ের কথা-সুরের সঙ্গে তার গায়কীর সুন্দর সম্মিলন ঘটেছে। নদী বরাবরই ভালো গায়। এখানেও ব্যতিক্রম ঘটেনি। আশা করি শ্রোতাদের সমাদর পাবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে Melodive নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে গানটির একটি লিরিক্যাল ভিডিও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ্যে ‘না যেও না’
‘হৃদয়ের গভীর থেকে তোমার জন্য রইল দোয়া ও ভালোবাসা’
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি—বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন। দিনটি সংগীতপ্রেমীদের জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, আজ দেশের জনপ্রিয় রক সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদের জন্মদিন। কিংবদন্তি সুরকার কমল দাশগুপ্ত এবং প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের সন্তান হিসেবে তিনি ছোটবেলা থেকেই সংগীতের আবহে বেড়ে ওঠেন। উচ্চাঙ্গসংগীত, নজরুলসংগীত ও পাশ্চাত্য ধারার সংগীতচর্চা তার শিল্পীজীবনের ভিত গড়ে দেয়। বাংলা রক ও ব্যান্ড সংগীতে তার নাম উচ্চারিত হয় বিশেষ মর্যাদায়। ঐতিহাসিক মাইলস ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি দেশ-বিদেশে ব্যান্ড সংগীতকে জনপ্রিয় করে তোলেন। ১৯৯১ সালে প্রকাশিত বাংলা অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং এর ‘চাঁদ-তারা’ গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। পরবর্তীতে ‘দরদিয়া’, ‘জাদু’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘ফিরিয়ে দাও’সহ অসংখ্য গান শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। ব্যান্ড সংগীতের এই কিংবদন্তিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সকালে দুটি ছবি পোস্ট করেন বড় ভাই হামিন আহমেদ। এরপর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন, মুনা, যেখানেই থাকো, দিনটি হোক আনন্দময় ও বিশেষ। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) তোমার আত্মাকে শান্তি দান করুন। অনেক ভালোবাসা।’ এরপর শাফিন আহমেদের সাবেক ব্যান্ড মাইলসের পক্ষ থেকে তাকে স্মরণ করে একটি পোস্ট করা হয়। কয়েকটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘শুভ জন্মদিন শাফিন, তুমি আজ যেখানেই থাকো, হৃদয়ের গভীর থেকে তোমার জন্য রইল দোয়া ও ভালোবাসা। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) তোমাকে শান্তি ও জান্নাতুল ফিরদৌস নসীব করুন।’ ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াতে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
‘হৃদয়ের গভীর থেকে তোমার জন্য রইল দোয়া ও ভালোবাসা’
জনতার শক্তি দেখানোর এখনই সময়: আসিফ আকবর
দেশের সংগীতাঙ্গনে তুমুল জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর। ক্যাসেট-সিডির আমলে অডিওতে রাজত্ব করা এই শিল্পী এখনও বেশ দাপুটে। তার মতো করেই গান প্রকাশ করে চলছেন। সংগীতের পাশাপাশি রাজনীতি কিংবা খেলাধুলা নিয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় সময়ই নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি মন্তব্য করেছেন রাজনীতি নিয়ে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, সতেরো বছর পর দেশে একটা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৮ লাখ ভোটার প্রত‍্যক্ষ ভোটে সংসদে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। দেশের সব দায়িত্বশীল বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রে কাজ করবে। সব রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরাও চান একটি অবাধ, সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ‍্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রোপাগান্ডা, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, গুজব, নানান আশঙ্কার নাগপাশ ছিড়ে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন‍্য যথেষ্ট অর্থপূর্ণ এবং গূরুত্ববহ।  জুলাই বিপ্লবে ছাত্র জনতার বিজয়কে সুসংহত করা এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন‍্য আমাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, সেখানে পছন্দের প্রার্থীকে নিজের ভোট প্রদান করে নাগরিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হতে হবে। অলসতা এবং অবহেলার মানসিকতা না রেখে প্লীজ সবাই ভোট কেন্দ্রে আসুন। ভোটের মাধ‍্যমে জনতার শক্তি দেখানোর এখনই সময়। দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমিও ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করব। পাহাড়ি মানুষ, সমতলবাসী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আসুন সবাই মিলে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেই এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথকে ত্বরান্বিত করি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬, সফল হোক, স্বার্থক হোক। ভালোবাসা অবিরাম।  আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম।ভোট কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। সরকারও ঘোষণা করেছে সাধারণ ছুটি। যার ফলে সাধারণ জনগণসহ সবার মধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। যে আমেজ লেগেছে তারকাদের মধ্যেও।
জনতার শক্তি দেখানোর এখনই সময়: আসিফ আকবর
রাজনীতি চলছে পুরোনো স্টাইলে: আসিফ আকবর 
বাংলা সংগীতের ‘যুবরাজ’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। রাজত্বটা ফিতার ক্যাসেটের যুগে শুরু হয়েছিল। ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবাম দিয়ে তিনি পরিচিতি পান। শুধুই পরিচিতি নয়, প্রথম অ্যালবাম দিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি করেন। তারপর কেটে গেছে লম্বা সময়। ভক্ত-অনুরাগীদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য গান। দর্শকমহল থেকে পেয়েছেন ভালোবাসা। সংগীতের পাশাপাশি রাজনীতি কিংবা খেলাধুলা নিয়ে সমসাময়িক ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায় সময়ই নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি মন্তব্য করেছেন রাজনীতি নিয়ে।  পুরোনো ধারার রাজনৈতিক অচলায়তনের ভিড়ে তাসনিম জারা, হাবিবুর রশীদ এবং ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজীর মতো এমপি প্রার্থীরা আগামীর বৈষম্যহীন বাংলাদেশের উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন আসিফ আকবর। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ মন্তব্য করেন তিনি।  ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। একই আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিব এবং ঝালকাঠি-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মইন ফিরোজীর ছবি প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেন তিনি।  পোস্টে তিনি লেখেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত রাজনীতির প্রভাবে মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন পরীক্ষিত এবং যোগ্য প্রার্থীরা। গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তনের কোনো লক্ষণই দৃশ্যমান নয়। জুলাই বিপ্লবোত্তর তারুণ্যের রাজনীতিতেও ক্যারিশমা দেখা যায়নি। নির্বাচনি রাজনীতি চলছে সেই পুরোনো স্টাইলেই। তিনি যোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফসল ডাক্তার তাসনীম জারা (ফুটবল) দলছুট হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন ঢাকা-৯ আসনে। জারার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক জনপ্রিয় সংগ্রামী ছাত্রনেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব (ধানের শীষ)। এই দুজন নির্বাচনি কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে রাজনৈতিক মূল্যবোধের সর্বোচ্চ সংস্কৃতি প্রদর্শন করছেন (কোনো কাদা ছোড়াছুড়ি নেই)। তাদের রাজনীতি ভবিষ্যতের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।  আসিফ আরও লেখেন, অনেক মেধাবী এবং যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়নি দলগুলো। একজন টেস্ট কেস হিসেবে ঝালকাঠি-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী (হাঁস) আলোচনায় আসতে পারেন। তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী, নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ব্যারিস্টার মইন একটি বড় দলের নমিনেশন চেয়ে পাননি। কারণ তিনি বড় রাজনীতিক নন। অথচ পার্লামেন্টে এ ধরনের আইন প্রণয়নকারী প্রয়োজন। তবুও তিনি দমে যাননি, টপিক্যাল অধিকার আদায়ের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে চান। সবশেষে সংগীতশিল্পী লিখেছেন, তারপরও বহুদিন পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় জাতি। রাতারাতি কোনো কিছু পরিবর্তন হবে না সেটা জানি। তবে নিশ্চয়ই একদিন ব্যারিস্টার মঈন, ডাক্তার জারা, রাজনীতিক হাবিবুর রশীদরা উদাহরণ হিসেবে সফল হবেন। জাতির দেশপ্রেমের শপথ, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা আর জং ধরা অচলায়তন ভেঙে নতুন দিনের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ভালোবাসা অবিরাম।
রাজনীতি চলছে পুরোনো স্টাইলে: আসিফ আকবর 
আমি দালাল না: রবি চৌধুরী
‘আমাকে দালাল বানাবেন না, আমি দালাল না।’ কথাটি সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হয়ে ঢাকা-১৭ আসনে ভোট চাইতে গিয়ে গণমাধ্যমের সামনে বলেন সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী। এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার জন্য ভোট চাইতে এদিন পুলিশ প্লাজা থেকে গুলশান গার্ডেন ও এর আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন দলটির সমর্থক শিল্পীদের একটি অংশ। যেখানে উপস্থিত ছিলেন—অভিনেত্রী রিনা খান, সংগীতশিল্পী মনির খান, চিত্রনায়িকা সামসুন নাহার সিমলা, অভিনেতা শাহেদ শরীফ খানসহ আরও কয়েকজন। বিএনপিপন্থি শিল্পীদের প্রচারণায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়—সাধারণ পথচারী, রিকশাচালক থেকে শুরু করে স্থানীয়দের কাছে তারা দলটির জন্য দোয়া ও ভোট চান। এ সময় অনেকের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে বিএনপি চেয়ারম্যানকে জয়যুক্ত করার জন্যও অনুরোধ করেন তারা। প্রচারণার এক পর্যায়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিল্পীরা। ভোট নিয়ে দলটির প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরেন মনির খান ও রিনা খানরা। আরও কথা বলেন, শাহেদ-সিমলারা। এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী বলেন, ‘এখন ফেসবুক তো গরম হয়ে গেছে। সম্প্রতি আমি এবং মনির খান ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএনপির জন্য ভোট চাইতে গিয়েছিলাম। সেখানে অনেকেই প্রশ্ন তোলে আমাকে নিয়ে যে, আমি নৌকার জন্য ভোট চেয়েছিলাম।’ এরপর তাদের উদ্দেশ্যে রবি বলেন, ‘আমাকে দালাল বানাবেন না, আমি দালাল না। আমি কি কাজ করি, আমার এলাকায় গিয়ে দেখেন। মমতাজ আমাকে দাওয়াত দিয়েছিল, টাকার বিনিময়ে তার অনুরোধে তার মার্কার জন্য আমি ভোট চেয়েছি। এখানে আমি কারও দালালি করিনি। আমি গান গাইতে গিয়েছি, যেখানে টাকা দেবে সেখানেই গান গাইব, সেটা যেই হোক।’ এরপর তার সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের যে সম্পর্ক তা নিয়েও ব্যাখ্যা করেন এই শিল্পী। তার ভাষ্যতে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের স্পষ্ট করেন, একজন শিল্পী যে কারোর জন্য গান গাইতে পারেন, কারণ এটি তার পেশা। সে জন্যই হত্যা মামলার আসামি মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর ও হরিরামপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের হয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন তিনি।
আমি দালাল না: রবি চৌধুরী
‘১২ তারিখ নিয়ে আমাদের ঘুম খাওয়া হারাম হয়ে গিয়েছে’ 
ফ্রেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা নিয়ে। এদিকে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি)  বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে রাজধানীর গুলশান এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন বিএনপিপন্থি একঝাঁক শিল্পী। সেই কাতারে ছিলেন সংগীতশিল্পী মনির খানও।  নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে মনির খান বলেন, আগামী ১২ তারিখ নিয়ে আমাদের ঘুম, খাওয়া হারাম হয়ে গেছে। বাংলাদেশে সংস্কৃতিমনা সব শিল্পী এক হয়ে গিয়েছেন। সারা দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তারেক রহমানের বক্তব্য ও তার ঘোষিত ইশতেহারে বাংলার মানুষ মুগ্ধ। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি থাকবে না উল্লেখ করে এই শিল্পী আরও বলেন, এই দেশকে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করা একমাত্র তারেক রহমানকে দিয়েই সম্ভব।  এদিন ঢাকা ১৭ আসনের ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় মনির খানের পাশাপাশি  সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী, অভিনেত্রী রিনা খান, নায়িকা সিমলাসহ অনেকেই। 
‘১২ তারিখ নিয়ে আমাদের ঘুম খাওয়া হারাম হয়ে গিয়েছে’ 
‘আইয়ুব বাচ্চু এবং ওয়ারফেজের একুশে পদকপ্রাপ্তি নতুন সময়ের সূচনা’
দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাচ্ছেন প্রায়ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু ও জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’।  একুশে পদকপ্রাপ্ত হিসেবে আইয়ুব বাচ্চু ও ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’-এর নাম ঘোষণার পর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সহকর্মী ও ভক্ত অনুরাগীরা। একুশে পদকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে সুরকার প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, প্রিয় আইয়ুব বাচ্চু ভাই একুশে পদক পেলেন। আইয়ুব বাচ্চু এবং ‘ওয়ারফেজ’-এর একুশে পদকপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে একটি নতুন সময়ের সূচনা হলো। ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের তালিকায় মোট ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড স্থান পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ডক্টর মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার (চারুকলায়), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্যে), ওয়েরফেইজ (ব্যান্ড মিউজিকে), পালাকার ইসলাম উদ্দিন (নাট্যকলায়), অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষায়), তেজস হালদার (ভাস্কর্যে) ও অথৈ আহমেদ (নৃত্যকলায়)। অন্যদিকে আইয়ুব বাচ্চু, ববিতা ও শফিক রেহমান একুশে পদক পাচ্ছেন যথাক্রমে সংগীত, চলচ্চিত্র ও সাংবাদিকতা বিভাগে।  
‘আইয়ুব বাচ্চু এবং ওয়ারফেজের একুশে পদকপ্রাপ্তি নতুন সময়ের সূচনা’
মানুষের ভালোবাসা থেকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ গানের ভাবনা: বান্না
এইচ আল বান্নার প্রথম পরিচয় তিনি একজন ফিল্ম মেকার। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি করেছেন। পরিকল্পনা আছে আগামীতে দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির হয়ে নিয়মিত কাজ করার। এরই মধ্যে গল্প নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন এই নির্মাতা। সংগীত ও গান লেখা নিয়েও রয়েছে তার ব্যস্ততা। এ ব্যস্ততাই সম্প্রতি তাকে নিয়ে এসেছে আলোচনায়। যে আলোচনা ছড়িয়ে গেছে দেশ থেকে বিদেশে। কারণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তিনি তৈরি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জন্য একটি গান। আলোচনায় আসা গানটির শিরোনাম ‘নৌকা ধানের শীষ লাঙ্গল দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লা এবার গড়বে বাংলাদেশ’। গানটির কথা ও সুর করেছেন এইচ আল বান্না। নির্বাচনের আবহে গানটি এরই মধ্যে দেশ-বিদেশে দারুণ সাড়া ফেলেছে। এই বিশেষ গান ও এর নেপথ্যের ভাবনা নিয়ে এশিয়া পোস্টের সঙ্গে আড্ডা হয় তার। শুরুতেই জনপ্রিয় গানটির বিষয়ে বান্না বলেন, ‘প্রথমে এ গানটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। এরপর গানের জনপ্রিয়তার কারণে সব প্রার্থী এটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। গানটি হয়ে যায় সর্বজনীন।’ এরপর গানটির ভাবনা নিয়ে বান্না বলেন, ‘আমি জামায়াতের কয়েকটি নির্বাচনী এলাকার প্রচারণার দায়িত্বে আছি। এর কারণে সাধারণ মানুষের কাছে গবেষণার জন্য যেতে হয়। তখন তারা আমাদের কাছে নিজেদের পছন্দ ও কিছু সিদ্ধান্তের কথা জানান। যে সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি হচ্ছে, আমরা এর আগে নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গল দেখেছি। এবার দাঁড়িপাল্লা দেখতে চাই। তাদের সেই চাওয়া থেকেই গানের আইডিয়া আসে মাথায়। এরপর পুরো গানটি লিখে সুর করে এআইর মাধ্যমে কণ্ঠ ধারণ করে প্রকাশ করা হয়। তারপর মানুষের এমন ভালোবাসা সত্যিই আনন্দের।’ বান্না গানটির কথাগুলো যেন বাস্তবায়িত হয়, সে প্রত্যাশা করেন এবং নির্বাচন সামনে রেখে তিনি নতুন আরও কয়েকটি গান প্রকাশের পরিকল্পনার কথা বলেন। জানান দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের পরিকল্পনাও। সুযোগ হলে দেশের আর্ট, কালচার ও নিজেদের গল্প নিয়ে ঢালাওভাবে কাজ করতে চান এই নির্মাতা।
মানুষের ভালোবাসা থেকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ গানের ভাবনা: বান্না
আরও পড়ুন
আসছে জয়ার নতুন সিনেমার ট্রেলার
নেপালের বরফে মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘ও জান’ শুটিং করলেন ঢাকার প্রিয় জুটি
কার জন্য পরিচালনায় ফিরছেন ফারাহ খান
এবার তেলুগু ছবিতে বড় চরিত্রে অভিষেক যে বলিউড অভিনেতার