আঁচিল সাধারণত তখনই হয়, যখন ত্বক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। অনেকেই মনে করেন আঁচিল প্রাকৃতিকভাবে হয়, কিন্তু আসলে এটি একটি ভুল ধারণা। ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেই আঁচিল দেখা দেয়। মুখে আঁচিল হলে ভোগান্তি আরও বেশি হয়। মেয়েদের শরীরে আঁচিল তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। কারণ বেশিরভাগ সময় শরীর জামা কাপড়ে ঢাকা থাকে, এতে সহজেই জীবাণু ত্বকের উপরিভাগে আক্রমণ করতে পারে। অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে কাঁধে আঁচিল বেশি দেখা যায়।
আঁচিল হলে অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না বা চিকিৎসা নেন না। কিছু কুসংস্কারও প্রচলিত আছে। যেমন মাথার চুল বেঁধে রাখলে আঁচিল সেরে যাবে। এই ধারণা সঠিক নয়। বরং এতে আক্রান্ত স্থানে আঁচিল আরও বড় হতে পারে। আঁচিল বড় হলে তা শিকড়ের মতো ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই আঁচিল দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
আঁচিল হলে কী করবেন, সে বিষয়ে নিচে সহজভাবে বলা হলো।
অনেকে আঁচিলের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেন। কারণ আঁচিলের জন্য নির্দিষ্ট কোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নেই। হোমিও চিকিৎসায় কিছু ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যায় বলে অনেকেই বিশ্বাস করেন। এ ধরনের চিকিৎসা অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া উচিত।
প্রাকৃতিক উপায়ে আঁচিল কমাতে পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয়। পেঁয়াজ কুচি করে সারাদিন ঢেকে রাখুন। রাতে সামান্য লবণ মিশিয়ে আঁচিলের ওপর লাগাতে পারেন। প্রথম দিকে হালকা জ্বালা অনুভব হতে পারে।
টি ট্রি অয়েলও অনেকেই ব্যবহার করেন। তুলায় অল্প টি ট্রি অয়েল নিয়ে আক্রান্ত স্থানে আলতোভাবে লাগানো হয়। এতে কিছুটা চুলকানি হতে পারে, তবে নিয়মিত ব্যবহার করলে আঁচিল ধীরে ধীরে কমতে পারে।
অ্যালোভেরা জেলও আঁচিলের ক্ষেত্রে উপকারী বলে ধরা হয়। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে আক্রান্ত স্থানে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে আঁচিল শুকিয়ে ছোট হতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, আঁচিল দীর্ঘদিন থাকলে বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষক বাতায়ন
মন্তব্য করুন








