তিন নেতা ও শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি যাত্রা শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে কবর জিয়ারত শেষে প্রচারণা শুরুতে দলটির এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের এই নির্বাচনী যাত্রার দুটি বক্তব্য। প্রথমটি হলো গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কার অব্যাহত রাখুন। অন্যটি হলো ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচার আমাদের এই নির্বাচনের প্রধান এজেন্ডা।
তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমারা নির্বাচনি যাত্রা শুরু করলাম। সারা দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান ১০ দলীয় জোটকে বিজয়ী করুন।
ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে বলে প্রত্যাশা। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে।
এবারের নির্বাচন আধিপত্যপক্ষ বিরোধী যাত্রা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে, সংস্কারের অগ্রযাত্রাকে নিয়ে যেতে হলে ১০ দলীয় জোটের বিকল্প নেই।
এর আগে, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, কাজী নজরুল ইসলাম এবং ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করেন পার্টির শীর্ষ নেতারা।
এদিকে, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে সমাবেশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছে বিএনপি। এই সমাবেশসহ প্রথম দিন মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের বক্তব্য দেবেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অন্যদিকে, ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ ও রাজধানীর মিরপুরে জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
উল্লেখ্য, নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কোনো প্রার্থী বা দল এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া হতে পারে। দলের ক্ষেত্রেও এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এমনকি তদন্তে প্রমাণিত হলে প্রার্থিতাও বাতিল করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন








