তুরস্কের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল করেছে দেশটির সরকার। দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র ও বিচারমন্ত্রীকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়রলিকায়ার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন মুস্তফা সিফতসি। আর বিচারমন্ত্রী ইলমাজ টুনচের পরিবর্তে দায়িত্ব পেয়েছেন আকিন গুরলেক।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ডেইলি সাবাহ ও তুর্কি টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগের দিন ডিক্রি জারি করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এ সংক্রান্ত গেজেটও প্রকাশ করেছে তুর্কি সরকার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির অনুরোধ জানানোর পর টুনচ পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে, আলী ইয়ারলিকায়ার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন মুস্তাফা সিফতসি।
এক বিবৃতিতে ইয়রলিকায়া জানান, তিনি তার ‘প্রিয় ভাই’ মুস্তফা সিফতসির কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন। দায়িত্ব পালনের সময় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থনের জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিদায়ী বিচারমন্ত্রী টুনচও আলাদা এক বিবৃতিতে জাতির ভবিষ্যতের জন্য ‘প্রথম দিনের মতো একই উৎসাহ নিয়ে’ কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি নতুন বিচারমন্ত্রী গুরলেককে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন দায়িত্বে তার ‘অসাধারণ সাফল্য’ কামনা করেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তুরস্কের মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো আলোচনা চলছিল। সদ্য বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়রলিকায়াকে ঘিরে ক্ষমতাসীন একে পার্টি ও তাদের জাতীয়তাবাদী মিত্র ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির (এমএইচপি) মধ্যে রাজনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে গুঞ্জন ওঠে।
তবে এসব দাবি মূলত বিরোধীপন্থি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; শাসক দল বা তাদের মিত্ররা আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করেনি।
অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী মেহমেত সিমসেক তার কড়াকড়ি অর্থনৈতিক নীতির কারণে একে পার্টির কিছু মহলের সমালোচনা ও অপসারণের দাবি সত্ত্বেও পদে বহাল রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, তার বহাল থাকা বর্তমান অর্থনৈতিক নীতির প্রতি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সমর্থন ও আস্থারই ইঙ্গিত দেয়।
মন্তব্য করুন








