জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার : ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। নানা অভিযোগ নিয়েই বক্স অফিসে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে সিনেমাটি। গত ২০ ডিসেম্বর মুক্তির পর এক মাস পার হওয়ার আগেই আয়ের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় এখন ১৩১ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি (১৬ হাজার ১২ কোটি টাকা)।
মুক্তির প্রথম সপ্তাহ থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ‘অ্যাভাটার : ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। গত সপ্তাহান্তের তিন দিনে ১ কোটি ৩৩ লাখ এবং পরে চার দিনের লম্বা ছুটিতে এটি আয় করেছে ১ কোটি ৭২ লাখ ডলার। চলতি জানুয়ারিতে বড় কোনো প্রতিযোগী না থাকায় অনেকটা একক আধিপত্য বজায় রেখেছে সিনেমাটি।
জেমস ক্যামেরনের এই নতুন অ্যাডভেঞ্চার এখন পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার আয় করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে এর দাপট আরও বেশি। এক মাস না পেরোতেই এটি ১৩১ কোটি ডলারের ক্লাবে ঢুকে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, চীন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।
তবে বক্স অফিসে দাপট দেখালেও ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’ ও ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এই সিনেমাটির আয়ের গতি কিছুটা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আগের কিস্তি দুটি যথাক্রমে ২৯০ কোটি ও ২২৩ কোটি ডলার আয় করে ইতিহাসের সফলতম সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন রহস্য আর নাভিদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি দর্শকদের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। উন্নত মানের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (VFX) এবং সিনেমাটোগ্রাফি এই বিপুল আয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, দর্শকদের ইতিবাচক সাড়াই ‘অ্যাভাটার থ্রি’-কে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছে।
মন্তব্য করুন








