ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার মধ্য দিয়ে মাঠে গড়াল জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো আজ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে যাচ্ছে।
আজ সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করবে বিএনপি। এই সমাবেশসহ প্রথম দিন সাতটি জেলায় সমাবেশে যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জেলাগুলো হলো সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার।
বেলা দুইটায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভার আয়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১০-দলীয় জোটের নেতারা সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এই জনসভাস্থলটি পড়েছে ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫-এর মধ্যে।
সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন নেতার সমাধি ও শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসপি)। জিয়ারত শেষে প্রচার কর্মসূচি তিন নেতার সমাধি থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত যাবে। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা প্রচারে অংশ নেবেন বলে দলটি জানিয়েছে।
বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করবে সিপিবি।
এ ছাড়া সকাল ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনিয়াতে বাবার কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মাথাল মার্কার নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
এদিকে নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এ বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ সময়ের আগে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে পারবেন না এবং ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনি প্রচারণা সমাপ্ত করবেন।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, প্রচার চালানো যাবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। একই দিন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে হবে গণভোট।
মন্তব্য করুন








