টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে সামনে রেখে দুই দলই সম্ভাব্য একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের হাইভোল্টেজ এই লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে, আর ঠিক এর আগেই দলগঠনে কৌশলগত বদলের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
ভারতীয় শিবিরে ওপেনিং ব্যাটার অভিষেক শর্মার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। আগের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলেননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, উইকেটকিপার–ব্যাটার সঞ্জু স্যামসনের জায়গায় একাদশে ফিরতে পারেন অভিষেক। এতে ব্যাটিং অর্ডারে বাড়তি আক্রমণাত্মকতা যোগ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে পাকিস্তান দলে দুটি পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। উইকেটকিপার–ব্যাটার উসমান খানের পরিবর্তে তরুণ খাজা নাফায় সুযোগ পেতে পারেন। চলতি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হওয়ায় উসমান খানের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। পাকিস্তানের হয়ে দুটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা নাফায় ৪৭ রান করেছেন ১৭৪–এর বেশি স্ট্রাইক রেটে, যা তাকে বিশ্বকাপ অভিষেকের দ্বারপ্রান্তে এনে দিয়েছে।
এ ছাড়া বাঁহাতি ব্যাটার ফখর জামানকেও দলে ফেরানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা না থাকলেও বড় ম্যাচে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুটি ম্যাচে খেলেছিলেন তিনি, দুটিতেই করেছিলেন ১০ রান করে।
পরিসংখ্যানের দিক থেকে ভারত স্পষ্টভাবে এগিয়ে। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দল এখন পর্যন্ত ১৬ বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ভারতের জয় ১৩টি এবং পাকিস্তানের ৩টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে এই লড়াই আরও একপেশে—এ পর্যন্ত আটবারের দেখায় ভারত জিতেছে ৭ ম্যাচ, পাকিস্তানের জয় মাত্র একবার। এই পরিসংখ্যানই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ের তীব্রতা ও নাটকীয়তার ইঙ্গিত দেয়।
সম্ভাব্য একাদশ
ভারত: ইশান কিষাণ (উইকেটকিপার), অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রিঙ্কু সিং, বরুণ চক্রবর্তী, আর্শদীপ সিং ও জাসপ্রিত বুমরাহ।
পাকিস্তান: সাইম আইয়ুব, সাহেবজাদা ফারহান, সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), বাবর আজম, ফখর জামান, শাদাব খান, ফাহিম আশরাফ, খাজা নাফায় (উইকেটকিপার), শাহিন আফ্রিদি, আবরার আহমেদ ও উসমান তারিক।
মন্তব্য করুন








