যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘তথাকথিত’ শান্তি বোর্ডে যোগদানের আমন্ত্রণে সম্মতি জানিয়েছে পাকিস্তান। গত সপ্তাহে পাকিস্তানকে ‘শান্তি বোর্ডে’ আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাতে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তার জবাবে পাকিস্তান ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত গাজায় শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পাকিস্তানের চলমান উদ্যোগের অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলিউশন ২৮০৩ এর আওতায় গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান সমর্থন দিতে চায়।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে ‘শান্তি বোর্ড’-এর প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগদানের জন্য বিশ্বের ৬০ জন প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত সপ্তাহে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আমন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী সংঘাত বন্ধে সংস্থার বিস্তৃত ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংস্থাটি উপত্যকাটিতে ‘শাসন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ পরিসরে তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন সংগ্রহ’ তত্ত্বাবধান করবে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগদানের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে যারা কেবল তিন বছরের সদস্যপদ থাকার পরিবর্তে স্থায়ী সদস্য হতে চান, তাদেরকে এক বিলিয়ন ডলার ফি দিতে হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, এই অর্থ গাজার পুনর্গঠনে তহবিল জোগাতে সহায়তা করবে।
তবে রয়টার্সের দেখা চিঠি ও খসড়া সনদের একটি অনুলিপি অনুসারে, এই বোর্ড, যেটিতে ট্রাম্প আজীবন সভাপতিত্ব করবেন, অন্যান্য সংঘাত মোকাবিলায় পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হবে।
মন্তব্য করুন








