ঢাকা, বাংলাদেশ ||
মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

বয়কটের গুঞ্জনের মধ্যেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল পাকিস্তান

এপি স্পোর্টস

  ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৩৯
পাকিস্তান ক্রিকেট দল । ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন আইসিসি পুরুষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

রোববার (২৫ জানুয়ারি) লাহোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দল ঘোষণা করেন পিসিবির হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর ও নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান দলের হেড কোচ মাইক হেসন এবং টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আগা।

এই বিশ্বকাপ দিয়ে প্রথমবার বড় আইসিসি টুর্নামেন্টে ডাক পেয়েছেন অধিনায়ক সালমান আলী আগা, ফাহিম আশরাফ, খাজা মোহাম্মদ নাফায়, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, সাহিবজাদা ফারহান এবং উসমান তারিক।

অন্যদিকে, বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, নাসিম শাহ, ফখর জামান, মোহাম্মদ নওয়াজ, সাইম আইয়ুব ও উসমান খানসহ বেশ কয়েকজন তারকা আগেও একাধিক টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন।

এদিকে হাইব্রিড ফর্মুলা অনুযায়ী পাকিস্তান ও ভারত একে অপরের দেশে গিয়ে আইসিসি ইভেন্ট খেলবে না। সে কারণে পাকিস্তান তাদের সব গ্রুপ ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে।

পাকিস্তান যদি সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ওঠে, তাহলে সেই ম্যাচগুলোও কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যথায় নকআউট ম্যাচ হবে ভারতের কলকাতা ও আহমেদাবাদে।

২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ৭ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এরপর তারা খেলবে যুক্তরাষ্ট্র, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও নামিবিয়ার বিপক্ষে।

পাকিস্তানের গ্রুপ পর্বের সূচি:

  • ৭ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান বনাম নেদারল্যান্ডস — কলম্বো
  • ১০ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান বনাম যুক্তরাষ্ট্র — কলম্বো
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি: ভারত বনাম পাকিস্তান — কলম্বো
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান বনাম নামিবিয়া — কলম্বো

সুপার এইট পর্ব শুরু হবে ২১ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে এবং শেষ হবে ১ মার্চ কলকাতায়। প্রথম সেমিফাইনাল ৩ মার্চ, দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ৫ মার্চ এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৮ মার্চ—কলম্বো বা আহমেদাবাদে।

পাকিস্তান স্কোয়াড (১৫ জন):

সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাজা মোহাম্মদ নাফায় (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান (উইকেটকিপার), সাইম আইয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান (উইকেটকিপার) ও উসমান তারিক।

মন্তব্য করুন

মাশরাফি–সাকিব ইস্যুতে নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেশের সামগ্রিক ক্রীড়া পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন আমিনুল হক। সন্ধ্যায় মিরপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে নানা প্রসঙ্গের পাশাপাশি উঠে আসে জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার বিষয়টিও। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকা সাকিব এবং আড়ালে থাকা মাশরাফিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা চলমান থাকলেও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন বিষয়টি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিবেচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। আমিনুল বলেন, দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ফেরাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাদের বিরুদ্ধে থাকা আইনি জটিলতা নিষ্পত্তির বিষয়টি সরকারিভাবেই দেখা হবে। তিনি জানান, বিষয়টিতে সরকার সহনশীল ও বাস্তবধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে চায়, যাতে দ্রুত সমাধানের পথ বের করা সম্ভব হয়। এ সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও নির্বাচন নিয়েও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। অতীতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেও এখন দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে যাওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিধিবিধান মেনে বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করেই অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন আমিনুল। নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রীড়া প্রশাসনে স্থিতিশীলতা আনা এবং বিভিন্ন ইস্যুতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বার্তাই তার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।
মাশরাফি–সাকিব ইস্যুতে নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের
এখনই বিসিবিতে পরিবর্তন আনছেন না আমিনুল! 
আমিনুল হকের কাঁধে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব; খবরটা সামনে আসতেই ক্রিকেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে গুঞ্জন, ভেঙে যাবে ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু ব্যাপারটা যে খুব একটা সহজও নয়। আমিনুল হকও জানেন সে কথা। তাই তো ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসে প্রথম প্রেস কনফারেন্সে বিসিবি ইস্যুতে দিয়েছেন শান্তির বার্তা।  ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই তিনি বলেন, ‘বিসিবির বিষয়টি এখানে আইসিসি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আইনের ভেতরে থেকে, নিয়মের ভেতরে থেকে; এটি আলোচনার ভিত্তিতে যা করণীয় আছে, সেটি আমি বসে আলোচনার মাধ্যমে… পরে এটি নিয়ে মন্তব্য করব।’  ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক হিসেবে যে টোনে কথা বলার দরকার, আমিনুল প্রথম দিনে বলেছেন তেমনই কথা। কোনো হিংসা-বিদ্বেষ কিংবা পূর্বের ক্ষোভ নয়, সবকিছুতেই আমিনুল হক হাঁটবেন সমাধানের পথে। ওই একই ধারায় ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে সৃষ্টি হওয়া শীতল সম্পর্কের অবসান কীভাবে করা যায় সে দিকেও নজর আছে আমিনুলের। এরই মধ্যে কথা বলেছেন ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে।  সে বিষয়ে বলেন, ‘শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সংসদ ভবনেই ইন্ডিয়ার ডেপুটি হাইকমিশানেরর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। এই বিষয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। সে খুবই আন্তরিক। আমি তাকে বলেছি, আমরা খুব দ্রুতই এ সমস্যাটি আলোচনার ভিত্তিতে নিরসন করতে চাই। কারণ আমরা আমাদের পার্শ্ববর্তী সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চাই, সেটা ক্রীড়া থেকে সব সেক্টরে।’ দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আমিনুল হকের রয়েছে বিশাল পরিকল্পনা। সে কারণেই তিনি বাংলাদেশে তৈরি করতে চান একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস হাব। যেখান থেকে খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানি করতে চান আমিুনল হক। কিন্তু ক্রীড়াঙ্গনকে নিয়ে করা তার এসব পরিকল্পনা যে গণমাধ্যমগুলো তুলে ধরে দেশের মানুষের সঙ্গে তাদেরই দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ফেডারেশন বিসিবি দিয়ে রেখেছে নানা নিষেধাজ্ঞা। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই আমিনুল হক এ ইস্যুতে দিয়েছেন কড়া বার্তা। তিনি এ বিষয়ে সরাসরি বলেন, ‘আজকের পর থেকে (সাংবাদিকদের সঙ্গে) কোনো কঠোরতা থাকবে না। কারণ সাংবাদিকরা আপনারা যেভাবে ক্রীড়াঙ্গনের জন্য লেখনির মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান, আমি মনে করি, আপনাদের সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই আমরা আগামীর ক্রীড়াঙ্গনকে গড়ে তুলতে চাই। সেখানে কোনো বাধা-নিষেধ আজকের পর থেকে ইনশাআল্লাহ থাকবে না।’ শুধু ক্রিকেট কিংবা ফুটবল নয়, দেশের প্রত্যেকটি ফেডারেশন নিয়ে আমিনুল হকের আছে পরিকল্পনা। সবার সহযোগিতা নিয়েই এগিয়ে যেতে চান বিএনপির পরীক্ষিত এই ক্রীড়া সংগঠক। 
এখনই বিসিবিতে পরিবর্তন আনছেন না আমিনুল! 
ভারতে বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের চিন্তা অস্ট্রেলিয়ার
ভারতের বিশাল ক্রিকেট বাজারকে লক্ষ্য করে আগামী মৌসুমে বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) একটি ম্যাচ দেশটিতে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সেনের প্রতিবেদনে জানা গেছে, সম্ভাব্য এই উদ্যোগটি বিবিএলের বাণিজ্যিক পরিসর বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ ফ্র্যাঞ্চাইজি কাঠামোকে শক্তিশালী করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিবিএলের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে অন্তত দুটি আংশিক বিক্রির প্রস্তুতির আগে ভারতীয় বাজারের সঙ্গে লিগকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে চায় সিএ। এ লক্ষ্যে সংস্থাটির দুই শীর্ষ কর্মকর্তা—ব্যবসা পরিচালনা বিভাগের প্রধান ফিল রিগবি এবং প্রতিযোগিতা উন্নয়ন ও কৌশল বিভাগের প্রধান মারগট হার্লি—সম্প্রতি ভারতে সফর করেছেন। তারা সম্ভাব্য ভেন্যু, লজিস্টিকস ও অংশীদারদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছেন বলে জানা যায়। ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) ইতোমধ্যে একটি প্রস্তাব পেয়েছে, যেখানে চেন্নাইয়ে ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকসমৃদ্ধ এই শহরকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে পার্থ স্কর্চার্সকে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী হিসেবে দেখা হচ্ছে। সময় অঞ্চলের সামঞ্জস্য এবং ওয়াকা কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মনোভাব—দুই দিক থেকেই দলটি তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল পার্থ স্কর্চার্স, যারা এখন পর্যন্ত ছয়বার শিরোপা জিতেছে। তবে পুরো পরিকল্পনাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ম্যাচ আয়োজনের আগে ব্রডকাস্টার, বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সব পক্ষের সম্মতি ছাড়া এই উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  সূত্র : সেন.এউ
ভারতে বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের চিন্তা অস্ট্রেলিয়ার
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হককে বিসিবির অভিনন্দন
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমিনুল হককে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ নতুন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খেলাধুলার মাঠ থেকে উঠে আসা একজন সংগঠক ও সাবেক ক্রীড়াবিদের এ ধরনের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হওয়া দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। বিশেষ করে তরুণ ক্রীড়াবিদ ও সমর্থকদের জন্য এটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বিসিবি মনে করে, শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অর্জিত অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও ক্রীড়া প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, আমিনুল হকের নিয়োগ দেশের ক্রীড়া খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে ক্রীড়াবিদদের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি দিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে ক্রীড়ার উন্নয়নে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিসিবি নতুন প্রতিমন্ত্রী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশের সব স্তরের খেলাধুলার অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ এবং ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হককে বিসিবির অভিনন্দন
বৃষ্টিতে সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে, বিদায় অস্ট্রেলিয়ার
পাল্লেকেলে অবিরাম বৃষ্টির কারণে জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি টস ছাড়াই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পয়েন্ট ভাগাভাগির ফলে গ্রুপ ‘বি’ থেকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে, আর বিদায় নিতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময় থেকে মাঠ পুরোপুরি কভারেই ঢাকা ছিল। মাঝেমধ্যে হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থামলেও খেলা শুরুর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। গ্রাউন্ড স্টাফদের কিছুটা তৎপরতা দেখা গেলেও বেশিরভাগ কভারই সরানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এই ফলাফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হতাশাজনক ধারাই অব্যাহত থাকল। শেষ ছয় আসরের মধ্যে পঞ্চমবারের মতো তারা সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলো, যা তাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানের সম্পূর্ণ বিপরীত—সেখানে শেষ ছয় আসরের পাঁচটিতেই তারা সেমিফাইনাল খেলেছে। জিম্বাবুয়ের এই অগ্রগতির মধ্য দিয়ে সুপার এইট পর্বের সাতটি দল ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাকি একটি স্থানের জন্য গ্রুপ ‘এ’ থেকে লড়াইয়ে রয়েছে পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডস।
বৃষ্টিতে সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে, বিদায় অস্ট্রেলিয়ার
ইমরান খানের জন্য মানবিক আচরণের আহ্বান বিশ্ব ক্রিকেট কিংবদন্তিদের
বিশ্ব ক্রিকেটের একঝাঁক কিংবদন্তি সাবেক অধিনায়ক পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ইমরান খানের জন্য দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসা সহায়তা এবং সম্মানজনক বন্দিত্বের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ বিভিন্ন দেশের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা ক্রিকেটাররা। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সুনীল গাভাস্কার, গ্রেগ চ্যাপেল, কপিল দেব, ক্লাইভ লয়েড, স্টিভ ওয়া, মাইকেল অ্যাথারটন, বেলিন্ডা ক্লার্ক, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল ব্রিয়ারলি, ইয়ান চ্যাপেল, ডেভিড গাওয়ার, নাসের হুসেইন, কিম হিউজেস ও জন রাইট। বিবৃতিতে বলা হয়, ইমরান খান শুধু পাকিস্তানেরই নন, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ও অধিনায়ক হিসেবে সম্মানিত। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ে তার নেতৃত্ব ক্রীড়াজগতের ইতিহাসে একটি অনুপ্রেরণামূলক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। স্বাক্ষরকারীরা উল্লেখ করেন, তাদের অনেকেই ইমরানের বিপক্ষে খেলেছেন বা তাকে অনুসরণ করে বড় হয়েছেন—তার প্রতিভা, নেতৃত্ব ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাব বিশ্বজুড়ে শ্রদ্ধা অর্জন করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্রিকেট জীবনের বাইরে ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক মতভেদ যাই থাকুক, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একজন সাবেক জাতীয় নেতার প্রতি ন্যূনতম মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে তার স্বাস্থ্যের অবনতি, দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের অভিযোগ এবং দীর্ঘদিন কারাবাসের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। সাবেক অধিনায়করা পাকিস্তান সরকারের কাছে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন—যোগ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে অবিলম্বে ও ধারাবাহিক চিকিৎসাসেবা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বন্দিত্বের পরিবেশ এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত সাক্ষাতের সুযোগ নিশ্চিত করা; পাশাপাশি বিলম্ব ছাড়াই স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ দেওয়া। যৌথ বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, ক্রিকেট বরাবরই দেশগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থেকে যায়। ইমরান খান তার ক্যারিয়ারে সে চেতনারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন—এখন কর্তৃপক্ষেরও সেই নীতি সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান সাবেক এই তারকারা।  
ইমরান খানের জন্য মানবিক আচরণের আহ্বান বিশ্ব ক্রিকেট কিংবদন্তিদের
কানাডাকে হারিয়ে সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড
চেন্নাইয়ে হেসে খেলে জয় তুলে নিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ডি–এর ম্যাচে কানাডাকে আট উইকেটে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয়ে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে কিউইরা। এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৫.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড। দুই উইকেট হারালেও রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচকে একতরফা করে দেয়। ইনিংসের শুরুটা ছিল স্থির। ওপেনিং জুটিতে টিম সাইফার্ট ও ফিন অ্যালেন ৩০ রান যোগ করেন। তবে পরপর দুই ওভারে দুজনই বিদায় নিলে খানিকটা চাপে পড়ে দলটি। সাইফার্ট ১০ বলে ৬ রান করে সাদ বিন জাফরের শিকার হন, আর অ্যালেন ৮ বলে ২১ রান করে আউট হন ডিলন হেইলিগারের বলে। এরপর রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। দুজনের শতরানের জুটি নিউজিল্যান্ডকে দ্রুত জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। ফিলিপস ছিলেন বিধ্বংসী—৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন, মারেন চারটি চার ও ছয়টি ছক্কা। এটি তার টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি। অন্যদিকে রবীন্দ্র ৩৯ বলে ৫৯ রান করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কানাডা শক্ত ভিত গড়ে তোলে ওপেনার যুবরাজ সামরা ও অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার ব্যাটে। দুজন মিলে ধীরস্থির শুরু এনে দেন দলকে। পাওয়ারপ্লে ও মধ্য ওভারে ঝুঁকি না নিয়ে রান তুলতে থাকেন তারা। ১৪তম ওভারে ৩৯ বলে ৩৬ রান করা বাজওয়া আউট হলে ১১৬ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তবে সামরা থামেননি। ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ৬৫ বলে ১১০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ১১টি চার। শেষ দিকে নাভনিত ধালিওয়ালের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন সামরা। ধালিওয়াল ৭ বলে ১০ রান করে আউট হলে কানাডার রান তোলার গতি কিছুটা কমে যায়। শেষ ওভারে জ্যাকব ডাফি সামরাকে ফিরিয়ে দিলে বড় সংগ্রহের আশা কিছুটা কমে আসে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ দাঁড় করালেও কিউই ব্যাটারদের সামনে তা যথেষ্ট হয়নি।  
কানাডাকে হারিয়ে সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড
নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা
পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। পাথুম নিশাঙ্কার দুর্দান্ত অপরাজিত সেঞ্চুরিতেই বড় লক্ষ্য তাড়া করে সহজ জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাত্র ১ রান করে আউট হন কুশল পেরেরা। তবে এরপর কুশল মেন্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান নিশাঙ্কা। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মেন্ডিস ৩৮ বলে ৫১ রান করে আউট হলেও নিসাঙ্কা থামেননি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে তিনি ৫২ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৫টি ছক্কা। শেষদিকে পাভান রত্নায়েকে ১৫ বলে ২৮ রানের কার্যকর ইনিংস খেললে ১৮তম ওভারেই জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একমাত্র সফল বোলার ছিলেন মার্কাস স্টয়নিস, তিনি ২ উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে অলআউট হয় ১৮১ রানে। উদ্বোধনী জুটিতেই ৯ ওভারে ১০৪ রান তুলে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ট্রাভিস হেড ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ। হেড ২৯ বলে ৫৬ ও মার্শ ২৭ বলে ৫৪ রান করেন। তবে মিডল অর্ডার সেই গতি ধরে রাখতে না পারায় দুইশ পার করা হয়নি তাদের। জশ ইংলিস ২৭ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২২ রান যোগ করেন। বল হাতে শ্রীলঙ্কার হয়ে দুশান হেমান্থা ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন। এছাড়া দুশমন্ত চামিরা নেন ২টি উইকেট, আর মাহিশ থিকশানা, দুনিথ ভেল্লালাগে ও কামিন্দু মেন্ডিস প্রত্যেকে একটি করে উইকেট শিকার করেন। টানা তৃতীয় জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেই সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করল শ্রীলঙ্কা।
নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা
পাকিস্তান সিরিজ খেলতে বাধা নেই তাসকিনের
আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ দলের পেসার তাসকিন আহমেদকে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যদিও বোর্ড আয়োজিত বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ওয়ানডে টুর্নামেন্টের দলে তিনি নেই, তবুও পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে তার খেলার ব্যাপারে কোনো শঙ্কা নেই। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। বিসিবি চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা করার একদিন পর তিনি জানান, তাসকিন বর্তমানে কোনো ইনজুরিতে ভুগছেন না। দেবাশীষের ভাষ্য অনুযায়ী, তাসকিন কিছুদিন আগে সংক্রমণজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন এবং ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে কয়েকদিন অনুশীলন করতে পারেননি। দীর্ঘ বিরতির ফলে তার ওয়ার্কলোড বা ম্যাচ প্রস্তুতিতে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করেই ম্যাচে নেমে পড়া তাসকিনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই পর্যায়ক্রমে অনুশীলনের মাধ্যমে তাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান সিরিজে তার অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই বলেও স্পষ্ট করেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক। আগামী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ওই সিরিজকে সামনে রেখেই বিসিএল ওয়ানডে টুর্নামেন্টকে প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করছে বিসিবি। এরপর মে মাসে দুই দলের মধ্যে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিপিএলে নিষিদ্ধ ক্রিকেটারদের বিসিএলে অংশগ্রহণ এদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ আসরে সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগে নিষিদ্ধ থাকা কয়েকজন ক্রিকেটার বিসিএলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও মিডল অর্ডার ব্যাটার মোসাদ্দেক হোসেন রয়েছেন। বিপিএলের দ্বাদশ আসরে অংশ নিতে না পারা এই ক্রিকেটাররা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপেও জায়গা পাননি। তবে বিসিএলে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের আইনজীবী মাহিন এম রহমান জানান, বিপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কেবল ওই আসরের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। তার মতে, পরবর্তী টুর্নামেন্টগুলোতে অংশ নিতে নতুন করে কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে তারা স্বাভাবিকভাবেই বাকি প্রতিযোগিতাগুলোতে খেলতে পারবেন।
পাকিস্তান সিরিজ খেলতে বাধা নেই তাসকিনের
আরও পড়ুন
আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই : আসিফ নজরুল
বাংলাদেশ না খেললে বিশাল দর্শক হারাবে আইসিসি : বিসিবি সভাপতি
বিশ্বকাপ ইস্যুতে কি বদলাবে বাংলাদেশের অবস্থান? 
বাংলাদেশ সরে দাঁড়ালে বিশ্বকাপ বয়কটের ভাবনায় পাকিস্তানও