বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক লাভের কথা তুলে ধরেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমধ্যে রয়েছে আয়ের মাত্রা ও মুদ্রাস্ফীতি। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্বের সকল জাতির অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর আল-জাজিরার।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই সম্মেলনে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে ইউরোপের আরও বেশি করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো হওয়া উচিত। আমরা যা করছি, তা করা উচিত। আমি ইউরোপকে ভালোবাসি, সেজন্য ইউরোপকে ভালোভাবে এগিয়ে যেতে দেখতে চাই। কিন্তু তারা সঠিক পথে এগোচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘ক্রমবর্ধমান’ সরকারি ব্যয়ের সঙ্গে তাদের অভিবাসন ও বাণিজ্য নীতির সমালোচনা করেন। বলেন, এই নীতিগুলো ইউরোপের কিছু অংশকে ‘অচেনা’ করে তুলেছে। এটা সকল জাতির জন্য দুর্দান্ত। যুক্তরাষ্ট্র হলো পৃথিবীর সকল জাতির অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। যখন আমেরিকার উন্নতি হয়, তখন সমগ্র বিশ্বই উন্নতি করে। যখন পরিস্থিতি খারাপ হয়... তোমরা সবাই আমাদের অনুসরণ করো।
এদিকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্কের জেরে ডেনমার্ককে ‘অকৃতজ্ঞ’ বলে অভিহিত করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ড মার্কিন সেনাবাহিনী ছিল এবং তখন যুক্তরাষ্ট্র সেখানে বড় ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করেছিল। তার মতে, সেই ইতিহাসই আজ গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করার ভিত্তি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড রক্ষা করেছে এবং শত্রুদের আমেরিকার গোলার্ধে ঢুকতে দেয়নি। যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের মন্তব্যে আক্ষেপের সুর ছিল। তার মতে, পরে ভাবলে গ্রিনল্যান্ড ফিরিয়ে দেওয়াটা বোকামি ছিল এবং এখন ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সেই ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞ নয়।
এর আগে, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর জুরিখ বন্দরে অবতরণ করেছে ট্রাম্পকে বহন করা বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মূল নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে জুরিখে পৌঁছেছেন।
মন্তব্য করুন








