ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
জুরাছড়িতে দুর্গাপূজামন্ডপ পরির্দশন করলেন ইউএনও
জুরাছড়িতে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন
জুরাছড়িতে সেনা জোন অধিনায়কের বিদায়, নবাগতকে বরণ
জুরাছড়িতে সেনা জোন অধিনায়কের বিদায়, নবাগতকে বরণ
রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় সেনাবাহিনীর জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ হাসান সেজান, এসপিপি, পিএসসির বদলিজনিত বিদায় এবং নবাগত জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহরিয়ার আলম, পিএসসিকে বরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলা সম্মেলন কক্ষে অফিসার্স ক্লাব ও উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের আয়োজনে এ বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনন্যা চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অনিল বরণ চাকমা, মেজর আলী ইমরান খান, মেজর ফাহিম আল হোসাইন, ক্যাপ্টেন নাজমুস সাকিব, লেফটেন্যান্ট তাইফ, জুরাছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, উপজেলার চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা, রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. মরশেদুল আলম, স্থানীয় হেডম্যান-কারবারি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ হাসান সেজানের দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন তাঁরা। একই সঙ্গে নবাগত জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহরিয়ার আলমকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। তাঁকে জুরাছড়ির শান্তি, সম্প্রীতি ও সার্বিক উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যাশা জানান অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিরা। অনুষ্ঠানে বিদায়ী জোন অধিনায়ককে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানানো হয়। পাশাপাশি নবাগত জোন অধিনায়কের দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বিএনপি, উপজেলা অফিসার্স ক্লাব, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি, কাঠ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং সুবলং শাখা বনবিহারের পক্ষ থেকে বিদায়ী ও নবাগত জোন অধিনায়ককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
জুরাছড়িতে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত 
জুরাছড়িতে ‘পল্লী সবুজায়ন’ কর্মসূচিতে চারা ও ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ
জুরাছড়িতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
জুরাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
জুরাছড়িতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বিতরণ

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় বন বিভাগের উদ্যোগে ব্যক্তি পর্যায়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। অবক্ষয়িত ভূমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট)  পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সুবলং রেঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুবলং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মুনির হোসেন। অনুষ্ঠানে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ, জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা, বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা, রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. মরশেদুল আলম, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের “পার্বত্য চট্টগ্রামে জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর সুমন্ত চাকমা,  সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামিনী রঞ্জন চাকমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বন বিভাগের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়নের মাধ্যমে বন ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ২১ প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এসব চারা ব্যক্তি পর্যায়ে অবক্ষয়িত ভূমি ও বসতবিটায় রোপণের জন্য দেওয়া হয়েছে। চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিকল্পিত বনায়নের বিকল্প নেই। শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, গাছগুলোকে বড় করে তোলার দায়িত্বও নিতে হবে। বাড়ির আঙিনা, পতিত জমি ও অবক্ষয়িত ভূমিতে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে স্থানীয় মানুষের জন্য ফল, ঔষধি উপাদান ও কাঠের উৎস তৈরি হবে। বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা বলেন, “গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও জড়িত। তাই প্রতিটি পরিবারকে অন্তত কয়েকটি করে গাছ লাগিয়ে সেগুলোর যত্ন নিতে হবে। শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সামাজিকভাবে বনায়নকে এগিয়ে নিতে হবে।” রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ বলেন, “বন বিভাগের পক্ষ থেকে চারা দেওয়া হয়েছে। এখন এগুলো রোপণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করতে হবে। একটি চারা যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সেদিকে প্রত্যেক উপকারভোগীকে দায়িত্বশীল হতে হবে।” রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. মরশেদুল আলম বলেন, “আজকের একটি গাছ আগামী প্রজন্মের জন্য নির্মল বাতাস, ছায়া ও নিরাপদ পরিবেশের নিশ্চয়তা দিতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে।” জুরাছড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় বসতভিটা ও অবক্ষয়িত জমিতে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জুরাছড়িতে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ

জুরাছড়ি উপজেলায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার (১৯ আগস্ট)  মাদকে প্রতিরোধ করি, যুব সমাজ রক্ষা করি" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকালে জুরাছড়ি থানার আয়োজনে মাদকবিরোধী র‍্যালিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিশুপার্কের ফটক ঘুরে উপজেলা পরিষদের পুরাতন কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ের ফটকে  অনুষ্ঠিত হয় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন জুরাছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যক্ষাবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর আলী ইমরান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা, বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা, বিএনপির নেতৃবৃন্দ।  এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ভুবন জয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শান্তি ময় চাকমা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও
X