শুরুর ঝাঁজালো ব্যাটিংয়ে গতি পেয়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ইনিংস। তবে মাঝপথে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ছন্দ নষ্ট হয়। ঠিক ওই সময় দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংসের হাল ধরেন দুই কিউই তারকা কেইন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম। তাদের দৃঢ়তায় বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে লড়াই করার মতো সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। শুরুতেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করেন তানজিদ হাসান তামিম। সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ৪১ রানের জুটি গড়ে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তিনি। ২১ বলে ২৬ রান করা ফারহান ফিরলেও তানজিদের ব্যাটে রানচাকা থামেনি।
পাওয়ার প্লে শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬১ রান, উইকেট ছিল একটি। তবে তানজিদ ১৫ বলে ৩২ রান করে বিদায় নেওয়ার পরই চাপ বাড়তে থাকে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এস এম মেহেরব হোসেন দ্রুত ফিরে গেলে এক পর্যায়ে ইনিংস এলোমেলো হয়ে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন কেইন উইলিয়ামসন। অন্য প্রান্তে এসে ম্যাচের গতি বদলে দেন জিমি নিশাম। ঝুঁকি আর বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ের মিশেলে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। দুজনের জুটিতে আবারও গতি পায় রাজশাহীর ইনিংস। নিশাম আগ্রাসী ভূমিকায় থেকে বাউন্ডারি হাঁকান, আর উইলিয়ামসন ছিলেন সাবলীল ও নিয়ন্ত্রিত।
২৬ বলে ৪৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে নিশাম আউট হওয়ার সময় দেড়শ পেরিয়ে যায় রাজশাহী। শেষদিকে দ্রুত উইকেট পড়লেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলতে সক্ষম হয় দলটি। উইলিয়ামসন অপরাজিত থাকেন ৩৮ বলে ৪৫ রান করে।
সিলেট টাইটান্সের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সালমান ইরশাদ, যিনি নেন তিন উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট শিকার করেন, আর একটি উইকেট পান ক্রিস ওকস।
মন্তব্য করুন








